kalerkantho

ছাড়া পাচ্ছেন না সাবেক এমপি রানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছাড়া পাচ্ছেন না সাবেক এমপি রানা

আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান। চেম্বার বিচারপতির আদালতের এ আদেশের ফলে রানার কারামুক্তি আটকে গেল বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলায় হাইকোর্ট গত ৬ মার্চ রানাকে জামিন দেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ, ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মো. মাহমুদুল করিম রতন। রানার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান।

ফারুক হত্যা মামলায় জামিন আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় আমানুর রহমান খান রানাকে জামিন দেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। রানার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মো. মাহমুদুল করিম রতন।

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে শহরের কলেজপাড়ার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে কারো নাম উল্লেখ না করলেও পরে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি দাবি করেন, টাঙ্গাইলের খান পরিবারের চার ভাই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। এই মামলায় তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। গত বছর ৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করেন টাঙ্গাইলের আদালত। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন রানা। সেদিন আদালত তাঁর জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি। এ মামলায় এমপি রানাকে গত বছর ১৩ এপ্রিল হাইকোর্ট জামিন দিলেও আপিল বিভাগ একই বছরের ৮ মে হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর জামিন আবেদন খারিজ করেন হাইকোর্ট। এ মামলায় তিনি আবারও হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে হাইকোর্ট গতকাল তা মঞ্জুর করেন।

 

মন্তব্য