kalerkantho

রূপগঞ্জে ছাত্রলীগ নোয়াখালীতে যুবদল নেতা খুন

খুলনায় যুবকের ১৩ টুকরো লাশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রূপগঞ্জে ছাত্রলীগ নোয়াখালীতে যুবদল নেতা খুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও পায়ের রগ কেটে এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এক যুবদল নেতাকে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার মধ্যরাতে রূপগঞ্জের টাওড়া এলাকায় ছাত্রলীগ নেতাকে এবং গতকাল বৃহস্পতিবার সোনাইমুড়ীর ধান্যপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ড দুটি সংঘটিত হয়। অন্যদিকে খুলনা মহানগরীতে খণ্ড খণ্ড করা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি জানিয়েছে, নারীঘটিত ঘটনার ক্ষোভ থেকে যুবক সবুজকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

রূপগঞ্জ : রূপগঞ্জে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে সোহেল মিয়া (২৭) নামে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত বুধবার রাতে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের টাওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল ভোলাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি টাওড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে।

নিহতের বাবা মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘বুধবার রাত ৯টার দিকে সোহেল ও তার বন্ধু সিরাজ মিয়া টাওড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল। আদর্শ বিদ্যাপীঠ স্কুলের সামনে আসামাত্র ইউপি সদস্য শরীফের নেতৃত্বে লোকমান, কামাল, সাদ্দাত আলীসহ পাঁচ-সাতজন মিলে সোহেল মিয়াকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তারা তাকে বিলের দিকে নিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ েঁথতলে দেয়। এরপর দুই পায়ের রগ কেটে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যায়।’

মজিবুর রহমানের দাবি, সোহেল ছাত্রলীগ করায় বিএনপি সমর্থক শরীফ মিয়াসহ তার লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের আগে থেকেই সোহেলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল। শরীফ ও তার লোকজন এর আগেও একাধিকবার তার ওপর হামলা চালিয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় সোহেলের বন্ধু সিরাজসহ সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নোয়াখালী : সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি আমজাদ হোসেনকে (৪২) পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

আমিশাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাবলু জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে বসা ছিলেন আমজাদ। এ সময় মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় কয়েকজন তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে পাশের গ্রাম ধান্যপুরের তুলাচারা খালপারে নিয়ে তাঁকে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে একটি ধানক্ষেতে ফেলে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।     

সোনাইমুড়ী থানার এসআই মো. নাজমুল জানান, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে আমজাদকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

খুলনা : খুলনা মহানগরীতে হাবিবুর রহমান সবুজ নামে এক যুবকের ১৩ খণ্ড লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে দুই আসামি আসাদ ও অনুপম। নারীঘটিত ঘটনায় বন্ধু মোস্তফার ক্ষোভ মেটাতে পাঁচজন মিলে তাঁকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে তারা।

প্রসঙ্গত, গত ৭ ও ১১ মার্চ দুই দফায় সবুজের ১৩ খণ্ড লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও মোস্তফাসহ তিন আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা