kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সবিশেষ

গান শুনে ঘুমিয়েও মোটা মাইনে!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গান শুনে ঘুমিয়েও মোটা মাইনে!

কোনো কাজ না করেই মোটা মাইনে, পেনশন, ঘুরতে যাওয়ার ছুটি—এমন যদি কোনো চাকরি হতো—বিশ্বের সব কর্মীরই বোধ হয় এটা স্বপ্ন। কিন্তু তা বাস্তবে হওয়া কি সম্ভব! সুইডেন সরকার বলছে সম্ভব।

২০২৬ সালে দেশটিতে ইটার্নাল এমপ্লয়মেন্ট নামের পরীক্ষামূলক প্রকল্প পুরোদমে চালু হবে গথবার্গের নির্মীয়মাণ কর্সভাজেন স্টেশনে। আবেদনের ফরম মিলবে ২০২৫ সাল থেকে। যেকোনো ক্ষেত্রের যে কেউ এর কর্মী হতে পারেন। প্রকল্পের নকশাবিদ সাইমন গোল্ডিন ও জ্যাকব সেনেবি জানিয়েছেন, পাবলিক আর্ট এজেন্সি সুইডেন ও সুইডিশ আর্ট ট্রান্সপোর্টেশনের তহবিল থেকে কর্মীপ্রতি বেতন মিলবে দুই হাজার ৩২০ মার্কিন ডলার। এ ছাড়া অন্যান্য চাকরির মতোই আছে পেনশন এবং নানা ধরনের ছুটিছাটা।

ইটার্নাল এমপ্লয়মেন্টের কর্মীদের শুধু একটাই কাজ করতে হবে। যিনি একদিন কর্সভাজেন স্টেশনে কাটাবেন তাঁকে প্রতিদিন স্টেশনে ঢুকে পরিচয়পত্র পাঞ্চিংয়ের মতো একটি ঘড়ি চালু করে দিতে হবে। তাহলেই প্ল্যাটফর্মে ফ্লুরোসেন্ট সবুজ আলো জ্বলে উঠে তাঁর হাজিরা বোঝাবে। তারপর দিনভর তিনি গান শুনে, ঘুমিয়ে বা নিজের মতো করে সময় কাটাতে পারেন। এমনকি মধ্যবর্তী সময়ে চলে যেতে চাইলে অন্য সহকর্মীকে তাঁর পরিবর্তে রেখে যেতে পারেন। দিনের শেষে ঘড়ি বন্ধ করলেই প্ল্যাটফর্মের আলো বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ফিরতি ট্রেনে তিনি বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।

এ প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে অবশ্য ইতিমধ্যেই সুইডেনের জনগণ দুই ভাগ। এক পক্ষ নকশাবিদ সেনেবি-গোল্ডিন জুটির প্রশংসা করলেও আরেক পক্ষ এভাবে সরকারের টাকা নয়ছয় করার জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। মধ্য দক্ষিণপন্থী দলগুলো এ প্রকল্পকে সম্পূর্ণ বোকামি বলে অভিহিত করেছে। সূত্র : আজকাল।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা