kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

বসুন্ধরায় এলপিজি সামিট উদ্বোধন

আবাসিকে আর গ্যাস দেওয়া হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবাসিকে আর গ্যাস দেওয়া হবে না

পাইপলাইনে প্রাকৃতিক গ্যাস আবাসিক খাতে ব্যবহারের জন্য আর দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, পাইপলাইনে মূল্যবান গ্যাসের অপচয় হয়। একই সঙ্গে গ্যাস চুরি হয়। তাই আর কোনো নতুন সংযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) খাতের ব্যবসায়ীদেরও দাম কমিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে জনগণকে জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে।

গতকাল রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) দুই দিনব্যাপী সাউথ এশিয়ান এলপিজি সামিট-২০১৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বত্তৃদ্ধতায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বিপিসির চেয়ারম্যান মো. শামসুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রি. জে. আলী আহমেদ খান, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আজম জে চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও ওয়ার্ল্ড এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মিখায়েল কেল্লি উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে এলপি গ্যাসের ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাইপলাইনে প্রাকৃতিক গ্যাস আবাসিক খাতে ব্যবহারের জন্য আর দেওয়া হচ্ছে না। ৬০টি কম্পানিকে প্রাথমিক এলপিজি আমদানি ও বটলিং করার অনুমতি দেওয়া হলেও ২২টি কম্পানি এলপিজি বিপণনকাজে নিয়োজিত আছে। বেসরকারি কম্পানিগুলো ইচ্ছামতো এলপিজির দাম বাড়াচ্ছে। গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে বেশ কয়েকজনের হাত ঘোরার কারণেও দাম বাড়ছে। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের মনোপলি ব্যবসা রোধ করতে সরকারি খাতের কম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এলপিজি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে অচিরেই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তরা এলপিজি ব্যবহার করে। সবার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করতে চায় সরকার। কিন্তু বাসাবাড়ির চুলার জন্য বাজারে থাকা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজির দাম বিশ্ববাজারের তুলনায় অনেক বেশি।

সচেতনতার অভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারে দুর্ঘটনা ঘটছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সমন্বিতভাবে গ্রাহকদের সচেতন করার উদ্যোগ নিতে হবে। সিলিন্ডারগুলোতে ট্র্যাকিং করার উদ্যোগ নিলে কার সিলিন্ডার কোথায় কী অবস্থায় আছে তা জানা যাবে। এবারের সামিটে দেশি-বিদেশি ৮০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সামিট সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা