kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আরো এক মৃত্যু,নিহতের সংখ্যা ৭০

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরো এক মৃত্যু,নিহতের সংখ্যা ৭০

পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম মো. রেজাউল করিম (২১)।

ঘটনার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আট দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গতকাল শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে হার মানলেন রেজাউল। তাঁর মৃত্যুতে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০। আগুনে দগ্ধ আরো তিনজন এখনো বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তবে এ অগ্নিকাণ্ডে প্রশাসনের হিসাবের বাইরেও চারজন নিখোঁজের দাবি করেছে তাদের স্বজনরা। নিখোঁজ এবং নিহতদের স্বজনদের দাবি অনুযায়ী, ওই চারজনও আগুনে পুড়ে মারা গেছে। নিহতের সংখ্যা ৭৪ জনে দাঁড়াল। যদিও তাদের লাশ এখনো শনাক্ত হয়নি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, রেজাউলের শরীরের ৫১ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

নিহত রেজাউল করিম মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার বস্তকান্দা গ্রামের প্রতিবন্ধী বেলাল হোসেনের ছেলে ছিলেন। তিনি কেরানীগঞ্জের আঁটি এলাকায় থাকতেন। শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন পুরান ঢাকায় একটি কসমেটিকের গোডাউনে।

চুড়িহাট্টায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর ফায়ার সার্ভিস ৬৭টি লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।

বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় দগ্ধ ৯ জনকে। তাঁদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ও সোহাগ নামের দুজনের মৃত্যু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তিনজন এরই মধ্যে বাড়ি ফিরে গেছেন।

এর আগে নিহতদের মধ্যে ৫০ জনের মরদেহ শনাক্ত করার পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। বাকিদের শনাক্ত করার জন্য তাঁদের স্বজনদের ডিএনএ নমুনা নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আগুনের ঘটনায় গত ২১ ফেব্রুয়ারি চকবাজার থানায় একটি মামলা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোরাদুল ইসলাম জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ওয়াহিদ ম্যানশনের মালিক হাসান ও সোহেল এখনো পলাতক রয়েছেন।

চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের পর পুরান ঢাকায় রাসায়নিক গুদাম উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা