kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সবিশেষ

সবচেয়ে বড় মৌমাছির দেখা ফের মিলেছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবচেয়ে বড় মৌমাছির দেখা ফের মিলেছে

ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দারা বলে ‘রাজা অফু’। অর্থাৎ মৌমাছিদের রাজা। পতঙ্গবিজ্ঞানীরা একে ‘ফ্লাইং বুলডগ’ বলে ডাকেন। বৈজ্ঞানিক নাম ‘মেগাচিলে প্লুটো’। নাম যা-ই হোক না কেন, এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মৌমাছি। এর গড় আকার মানুষের বুড়ো আঙুলের সমান। সাধারণ মৌমাছি থেকে ১০ গুণ বড় হয় এটি।

ঊনবিংশ শতকে ব্রিটিশ প্রাণিবিজ্ঞানী আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস ইন্দোনেশিয়ার বাকান দ্বীপে ঘুরে বেড়ানোর সময় প্রথম দেখা পেয়েছিলেন এই মৌমাছির। এর প্রায় ১২২ বছর  পর ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী অ্যাডাম মেসার দেখা পান এই দৈত্যাকার মৌমাছির। তিনি এই মৌমাছিকে ‘ফ্লাইং বুলডগ’ নামে অভিহিত করেন। আর ওয়ালেসের পর্যবেক্ষণকে সম্মান জানাতে এর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ওয়ালেস জায়ান্ট বি’। এর প্রায় চার দশক পর এক দল গবেষক ফের দেখা পেলেন দৈত্যাকার মৌমাছির; ইন্দোনেশিয়ার গহিন অরণ্যে।

আলোকচিত্রী ক্লে বোল্ট, পতঙ্গবিদ এলি ওয়াইম্যান, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক সিমন রবসন ও পক্ষীবিজ্ঞানী গ্লেন চিলটন বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণার কাজে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন জঙ্গলে। সেখানেই তাঁরা এই দৈত্যাকার মৌমাছির খোঁজ পেয়েছেন। এই দৈত্যাকার মৌমাছির খোঁজ পেয়ে উচ্ছ্বসিত গবেষকরা বলেছেন, এটা বিশাল, ডানার ঝাপটায় তীব্র আওয়াজ তৈরি হয়। তবে এই গোত্রের মৌমাছিদের লিঙ্গভেদে আকারের ভিন্নতা চোখে পড়ার মতো। সাধারণত পুরুষদের থেকে স্ত্রী মৌমাছিরা আকারে অনেক বড় হয়ে থাকে। স্ত্রী দৈত্যাকার মৌমাছির দৈর্ঘ্য যেখানে ৩৮ মিলিমিটার, সেখানে পুরুষদের দৈর্ঘ্য মাত্র ২৩ মিলিমিটার।

বিজ্ঞানীরা জানান, গহিন অরণ্যে গাছের কোটরে বাসা তৈরি করে বসবাস করে দৈত্যাকার ফ্লাইং বুলডগ। এদের মাথার সামনে থাকা এক জোড়া সাঁড়াশির মতো অংশ দিয়ে বাসা তৈরি করে এরা। মৌমাছিদের মতো ফুলের মধু খেলেও মধু তৈরি করতে অক্ষম জায়ান্ট বি। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা