kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাতক্ষীরার সাবেক ডিসিসহ তিন কর্মকর্তার কারাদণ্ড

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাতক্ষীরার সাবেক ডিসিসহ তিন কর্মকর্তার কারাদণ্ড

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় সাতক্ষীরার সাবেক জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিনসহ তিন কর্মকর্তাকে তিন মাসের দেওয়ানি কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আশাশুনি আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সাবরিনা চৌধুরী গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তারা হলেন আশাশুনির সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব। আর সুষমা সুলতানা নরসিংদীর এডিসি হিসেবে কর্মরত।

সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, গত বছর ২৬ জুলাই মিস কেস ১৩/২০১৭ থেকে উদ্ভূত দেওয়ানি নির্দেশে (৬০/২০১৭) আদালত এক একর ৬৮ শতাংশ জমির ওপর একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বাদী আশাশুনি উপজেলার ননী বালা হালদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলা প্রশাসক ও ইউএনও পরস্পরের যোগসাজশে ওই জমিতে বিবাদীপক্ষকে যেতে সহায়তা করেন। এতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে শুনানি শেষে গতকাল সিনিয়র সহকারী জজ (আশাশুনি আদালত) তাঁদের তিনজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এক মাসের মধ্যে সাতক্ষীরার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ লঙ্ঘন করলে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে বলেও জানিয়েছেন আদালত। সিভিল প্রসিডিউর-এর ৩৯ আদেশ ২(৩) রুল অনুযায়ী তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়ানি কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ২৬ জুলাই থেকে গত ৬ মার্চ পর্যন্ত সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন। বর্তমানে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব। আশাশুনির তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা বর্তমানে নরসিংদীর এডিসি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দণ্ডাদেশের অনুলিপি গতকাল মন্ত্রিপরিষদসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক নরসিংদী, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। গতকাল যোগাযোগের চেষ্টা করেও দণ্ডিত এই সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা