kalerkantho

রবিবার । ২৫ আগস্ট ২০১৯। ১০ ভাদ্র ১৪২৬। ২৩ জিলহজ ১৪৪০

নাটোর

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা জিতব

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
সভাপতি, জেলা বিএনপি

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা জিতব

কালের কণ্ঠ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু : বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। কেন্দ্র থেকে আমাদের আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতি এই দুই বিষয়েই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দলীয়ভাবে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। তবে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের বাধার মুখে আমরা সঠিকভাবে দলীয় কার্যক্রম চালাতে পারছি না। তা ছাড়া বর্তমানে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া জেলে রয়েছেন। সরকারের জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে জণগণ আমাদের সঙ্গে আছে বলেই আমরা মনে করি।

কালের কণ্ঠ : জেলার কোন কোন আসনে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে? নির্বাচনে এসবের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু : বিএনপি একটি বড় দল। ফলে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইতেই পারেন। তবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি কাকে মনোনয়ন দেবে সে বিষয়ে সার্ভে করেছে। মামলা বা অন্য কোনো কারণে কোনো প্রার্থী ভোটে দাঁড়াতে না পারলে বিকল্প নামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিএনপিতে কোনো বিরোধ নেই। মনোনয়নের জন্য প্রতিযোগিতা আছে। 

কালের কণ্ঠ : জেলা বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা কেমন?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু : নাটোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা বর্তমানে খুবই ভালো। তবে প্রশাসন আমাদের কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেয় না। দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গেলেই পুলিশ বাধা দেয়। অনেক নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে নেওয়া হয়েছে। অনেকে মামলা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

কালের কণ্ঠ : জেলার চারটি আসনে জয়ের ব্যাপারে আপনারা কতটা আশাবাদী?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু : নাটোরে অতীতে চারটি আসেনেই বিএনপি জয়লাভ করেছিল। এখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এই জেলার সব কটি আসনে বিএনপি বিজয়ী হবে।

কালের কণ্ঠ : জামায়াত নাটোর-১ আসনে প্রার্থিতা চায়। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু : জামায়াতকে ওই আসন দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। নাটোর-১ লালপুর-বাগাতিপাড়া আসনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটল পর পর তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ওই আসনে তাঁর স্ত্রী অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার শিরীনের মনোনয়ন চূড়ান্ত। তা ছাড়া নাটোরের চারটি আসেনই বিএনপির অবস্থান খুবই ভালো। এ অবস্থায় নাটোর থেকে জামায়াতকে কোনো আসন দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

মন্তব্য