kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ

দারিদ্র্যের হার ২১.৮

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ

ফাইল ছবি

বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.৮৬ শতাংশ। অঙ্কে এর আকার ছিল ২২ লাখ ৫০৪ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। এ ছাড়া দেশে এখনো প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। মাথাপিছু জাতীয় আয় এক হাজার ৭৫১ ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৯ টাকা। অর্থাৎ মাসে একজন মানুষের গড় আয় ১১ হাজার ৯৮২ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিজেদের  রেকর্ড নিজেরাই ভাঙছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

বিবিএসের দেওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘গত অর্থবছর ছয় মাসের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আমরা প্রবৃদ্ধি ৭.৬৫ শতাংশ অর্জনের একটা সাময়িক প্রাক্কলন করেছিলাম। বছর শেষে এ হার হয়েছে ৭.৮৬ শতাংশ।’ রেকর্ড প্রবৃদ্ধির পেছনে কৃষি খাতের অভাবনীয় সাফল্যের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শিল্প খাতের অবদানও ছিল।

বিবিএসের দেওয়া তথ্য মতে, গত অর্থবছর মাথাপিছু জাতীয় আয় এক হাজার ৭৫২ ডলার প্রাক্কলন করা হলেও এক ডলার কম এসেছে। এর কারণ হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, টাকার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হওয়ায় মাথাপিছু জাতীয় আয় কমেছে। তবে টাকার অঙ্কে জাতীয় আয় কমেনি, বরং বেড়েছে।

বিবিএসের তথ্য বলছে, দেশে এখন দারিদ্র্যের হার ২১.৮ শতাংশ। এ ছাড়া ১১.৩ শতাংশ তথা এক কোটি আট লাখ মানুষ এখনো অতি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। এক বছর আগে হার ছিল দারিদ্র্য ২৩.১ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্য হার ছিল ১২.১ শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশে গত অর্থবছরের জিডিপির আকার ২৭৪ বিলিয়ন ডলার। জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগ হয়েছে ৩১.২৩ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৭.৯৭ শতাংশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩.২৬ শতাংশ হয়েছে। তবে জিডিপির অনুপাতে জাতীয় সঞ্চয়ের হার কমে ২৭.৪২ শতাংশে নেমে এসেছে। আগের বছর যা ছিল ২৯.৬৪ শতাংশ। মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যখন ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ হয় না, তখন সরকারকে চালকের আসনে বসতে হয়। আমাদের অবস্থা এখন সে রকম হয়েছে। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ হচ্ছে না দেশে। তাই সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা