kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়তি ফি আদায়

ফেরত দিতে সাত দিন সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি সেশন, টিউশন ফি এবং এসএসসির ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা বাড়তি টাকা ফেরত দিতে সাত দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ওই সময়ের মধ্যে যারা টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরির নির্দেশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী। সাত কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হবে।

গত ৬ জানুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ ২০ জানুয়ারির মধ্যে ফেরত দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। অন্যথায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি অকার্যকর হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদা আছে। যদি সাত দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়া হয় তাহলে বোঝা যাবে তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। না হলে ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। কারা বর্ধিত ফি ফেরত দেয়নি তা জানাতে বোর্ডগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারা কারা টাকা নিয়েছে তাদের তালিকা আমাদের কাছে আছে। এর পরও আমরা সময় দিচ্ছি। যারা ফেরত দেবে তাদের নাম তালিকায় রাখা হবে না।’

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ধিত বেতন ও ফি আদায় না করার নির্দেশনা দিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি একটি আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া একটি রিট মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সরকার কর্তৃক প্রণীত ভর্তি নীতিমালা পালন বাধ্যতামূলক বলে অভিমত দিয়ে তা লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চাপ প্রয়োগের সঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্কুলের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এমপিও বাতিল করতে পারি, স্কুলের অনুমোদন কেটে দিতে পারি।’

অভিভাবকদের উদ্দেশে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়মের বেশি অর্থ দাবি করলে সবাই মিলিত হয়ে সেই অর্থ দেবেন না। আমাদের কাছে অভিযোগ করবেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যা যা করার আমরা করব।’

এ সময় শিক্ষাসচিব মো. সোহবার হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, জাকির হোসেন ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা