kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ড. শফিউল হত্যাকাণ্ড

রাবি কর্মকর্তা রেশমা গ্রেপ্তার

রাজশাহী অফিস    

৭ মার্চ, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাবি কর্মকর্তা রেশমা গ্রেপ্তার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলাম হত্যা মামলায় একই বিভাগের সেকশন কর্মকর্তা নাসরিন আখতার রেশমাকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে মেহেরচণ্ডি এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আগে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ঠিকাদার কাটাখালী এলাকার আব্দুস সামাদ পিন্টুর স্ত্রী। রেশমাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও গোয়েন্দা শাখার সহকারী কমিশনার (এসি) ইফতে খায়ের আলম নিশ্চিত করেন।
হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে রেশমার সঙ্গে ড. শফিউলের
বাগ্বিতণ্ডা হয়। সেই থেকে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রেশমার সম্পৃক্ততা আছে বলে সন্দেহ করে আসছিল গোয়েন্দা পুলিশ।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি জাহিদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মেহেরচণ্ডি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে রেশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শফিউল হত্যায় জড়িত অভিযোগে রেশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. এ কে এম শফিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার নগর গোয়েন্দা শাখায় স্থানান্তর করে মতিহার থানা পুলিশ। নগর পুলিশ সূত্র জানায়, মতিহার থানার পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়।
গত বছরের ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাসার সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন অধ্যাপক শফিউল ইসলাম। ওই ঘটনায় র‌্যাব রাজশাহী ও ঢাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা র‌্যাবের কাছে এ হত্যার দায় স্বীকারও করে। তবে আদালতে স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকার করে তারা। গ্রেপ্তার ওই ছয়জনের মধ্যে রেশমার স্বামী আব্দুস সালাম পিন্টুও ছিলেন।
এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের পাঁচ ঘণ্টার মাথায় আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২ নামে একটি সংগঠন ফেসবুকে একটি পেজ খুলে হত্যার দায় স্বীকার করে। এর প্রধান আবদুর রহিমকে শনাক্তের দাবি করা হলেও এখনো তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা