kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

২০ দলীয় জোটের হুঁশিয়ারি

উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে

দেশে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ২০ দলীয় জোট। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জোটের পক্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ বিবৃতিতে বলেছেন, '২০ দলীয় জোট গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক জোট। আমরা জাতীয় রাজনৈতিক সংকট সমাধানে আলোচনা, সংলাপ-সমঝোতায় বিশ্বাসী। জাতীয় এবং জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক মহলের সংকট নিরসনের সব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছি। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলে জনগণ আশা করে। অন্যথায় উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।'

সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, 'সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিকভাবে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং নৈতিকতাবিবর্জিত প্রহসনমূলক একটি নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা লুণ্ঠন করে বিশ্ববেহায়া সরকার এখন জনগণের সঙ্গে প্রতারণায় লিপ্ত। যে সংসদে ১৫৪ জনই বিনা ভোটে নির্বাচিত, বাকি ১৪৬ আসনে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা মিলেমিশে বাটোয়ারায় নির্বাচিত; এমনকি এরশাদসহ তাঁর দলের বেশ কয়েকজনকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরও জোরপূর্বক নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।' তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ অনেক বিরোধী প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেয়নি এবং অনেক প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পরও ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। মূলত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্রে কখনোই বিশ্বাসী ছিল না। বরং প্রতিবারই গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। এ দেশের গণতন্ত্রকামী সংগ্রামী জনগণ রক্তঝরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শাসকগোষ্ঠীর সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। সালাহ উদ্দিন আহমদ আরো বলেন, 'আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আন্দোলন দমনে গণহত্যার লাইসেন্স প্রদান করার পর এখন হত্যার দায়মুক্তির আইন করার সরকারি তৎপরতার খবর পত্রিকায় ইদানীং প্রকাশিত হচ্ছে। শাসকগোষ্ঠীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই আইন শেষ আইন হবে না; ভবিষ্যতে আরো আইন হবে। অসাংবিধানিক, মৌলিক ও মানবাধিকার হরণকারী কোনো আইন আপনাদের রক্ষা করতে পারবে না।' সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, 'গত রাতে (বৃহস্পতিবার) বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের যশোরের বাসভবনে বোমা হামলা চালিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। যশোরে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বাসায়ও একযোগে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ জাতীয় ঘৃণ্য তৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শাসকগোষ্ঠীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গণমানুষের ন্যায্য আন্দোলনকে প্রতিহিংসার স্টিম রোলার চালিয়ে স্তব্ধ করা যাবে না। বরং দ্রোহের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দিকে দিকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। গণ-আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সেই দাবানলেই অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার মসনদ জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।'

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা