kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

সা ক্ষা ৎ কা র

পুলিশ চেষ্টা করছে মানুষের আস্থা অর্জনের

আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশ চেষ্টা করছে মানুষের আস্থা অর্জনের

‘আকস্মিক সমস্যায়/বিপদে পড়ে মানুষ প্রথম কার কাছে সাহায্য চায় : বিচারের জন্য কার কাছে যায়’ বিষয়ে জরিপ অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও মতামত পর্যালোচনা করে যে ধারণা পাওয়া গেছে, তার চুম্বক অংশ কালের কণ্ঠ তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে। লিখিত প্রশ্নোত্তরভিত্তিক তাঁর বক্তব্য এখানে উপস্থাপন করা হলো।

কালের কণ্ঠ : পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, আকস্মিক বিপদে পড়ে মানুষ পুলিশের সাহায্য চায় না। পুলিশের সাহায্য চাওয়ার হার মাত্র ১৩.৬ শতাংশ। অথচ ৪০.১ শতাংশ মনে করেন, কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পুলিশের কাছ থেকেই পাওয়া উচিত। পুলিশ সম্পর্কে মানুষের এই আস্থাহীনতার কারণ কী বলে মনে করেন?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : আমি মনে করি, ১০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ এক নয়। এখনকার পুলিশ জনবান্ধব পুলিশে পরিণত হচ্ছে। পুলিশ চেষ্টা করছে মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য। নানা ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য আমরা বিট পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করছি।

কালের কণ্ঠ : পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন কি না কিংবা নেবেন কি না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে। যেমন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ পুলিশ ইত্যাদি ইউনিট করা হয়েছে। তাদের দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ একাডেমি, পুলিশ স্টাফ কলেজ—এগুলোতে দ্রুত কার্যকরী সেবা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের কার্যক্রম মনিটর করা হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ : প্রতিনিয়ত বিপদের শঙ্কায় থাকে দেশের ৮০.২ শতাংশ মানুষ। এর মানে, এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে দেশের বেশির ভাগ মানুষ। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : আমি মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, বন্ধুবৎসল; একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসেন। দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় নেই, শান্তিতে আছেন, নিরাপদে আছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা