kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

প্রথম পদক্ষেপে বিপদ থেকে উদ্ধার পায়নি ৬২ শতাংশ

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রথম পদক্ষেপে বিপদ থেকে উদ্ধার পায়নি ৬২ শতাংশ

জরিপ অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, একবার যিনি বিপদে পড়েছেন, তিনি সহজে বিপদ থেকে উদ্ধার পাননি। বিপদে পড়ে যাঁরা জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কিংবা সমাজের মুরব্বিদের কাছে ছুটেছিলেন, তাঁরা কি বিপদ থেকে উদ্ধার হতে পেরেছিলেন—এ প্রশ্নের উত্তরে ‘না’ বলেছেন ৬১.৮ শতাংশ আর ‘হ্যাঁ’ বলেছেন মাত্র ৩৮.২ শতাংশ মানুষ। যাঁরা সমস্যার সমাধান পেলেন না, তারা কি হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোথাও চেষ্টা করেছিলেন?

এ প্রশ্নের উত্তরে ৩৫.২ শতাংশ কারো কাছেই না যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। আর যাঁরা সমস্যা থেকে উত্তরণের চেষ্টায় লেগে ছিলেন, ছুটেছিলেন বিকল্প কারো কাছে, তারা কি উদ্ধার পেয়েছেন?

এ প্রশ্নের জবাবে ‘উদ্ধার পাইনি’ বলেছেন ৫৪.৮ শতাংশ; ‘পেয়েছি’ বলেছেন ৪৫.২ শতাংশ। আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে যে ঘটনাগুলো, তার বেশির ভাগই চলমান বলে জানিয়েছেন উত্তরদাতারা। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, সমস্যা বা বিপদে পড়ার পর তা থেকে উদ্ধার পান না বেশির ভাগ মানুষ।

বিপদে পড়ার পর ৫৯.৩ শতাংশকে টাকা খরচ করতে হয়েছে বলে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন। অর্থাৎ বিপদে পড়ার পর বেশির ভাগ মানুষ উদ্ধার তো পানই না, বরং তার রেশ ধরে আর্থিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হন।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের মতে, আকস্মিক বিপদ ঘটছে দুই ধরনের। একটা হলো—আকস্মিক ঘটে যাচ্ছে। আরেকটা হলো আকস্মিক নয়, ভীতিকর পরিবেশ থেকেই ঘটছে। পরিবেশটাই বিপদ তৈরি করছে, প্রতিনিয়ত সেটা ঘটছে। এটা এক ধরনের মাস্তানতন্ত্র, ক্ষমতার দৌরাত্ম্য থেকে তৈরি হচ্ছে। ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়। এখানে মানুষ বিচারপ্রার্থী হতেও ভয় পায়। যেখানে বিপদ তৈরিই হচ্ছে পরিবেশগত কারণে, সেখানে বিপদ এড়িয়ে কিভাবে বসবাস করা যায়, সেদিকে নজর থাকে মানুষের। বিচার পাওয়ার বদলে কিভাবে ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকব, সেটাই ভাবনায় থাকে মানুষের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা