kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বরকতময় সুন্নতি বিয়ে

উম্মে আহমাদ ফারজানা   

২০ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরকতময় সুন্নতি বিয়ে

পরিবার ও পারিবারিক জীবনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে ইসলামে। বিবাহকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শরিয়তসিদ্ধ দাম্পত্য জীবনে জান্নাতের সুখ-শান্তির ছোঁয়া মেলে। তাই বিবাহ অনুষ্ঠান সুন্নতি পদ্ধতিতে হওয়া বাঞ্ছনীয়। বর্তমানে বেশির ভাগ বিবাহ অনুষ্ঠানে গান-বাজনা, বেপর্দা, অশ্লীলতা, অপচয়, যৌতুক ইত্যাদি ইসলামবিরোধী কাজ দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

এতে বিবাহ নামক ইবাদতের সওয়াব ও বরকত থেকে বঞ্চিত হয় বর-কনে ও সংশ্লিষ্ট সবাই। আর তাদের দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় ঝগড়া-বিবাদ, দ্বন্দ্ব-কলহ ও অশান্তি। অথচ বিবাহের মাধ্যমে ঈমানের পূর্ণতা অর্জিত হয়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি বিবাহ করল, সে অর্ধেক ঈমান পূর্ণ করল। অতএব বাকি অর্ধেকে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে। ’ (সহিহুল জামে, হাদিস : ৬১৪৮)

বিবাহ পড়ানোর ইসলামী পদ্ধতি হলো প্রথমে একজন বিবাহের খুতবা পাঠ করবেন। এরপর মেয়ের পিতা বা অভিভাবক বরের সামনে মেয়ের পরিচয় ও মোহরের পরিমাণ উল্লেখ করে বিবাহের প্রস্তাব পেশ করবেন। যিনি বিয়ে পড়াবেন, তিনিও তা ব্যক্ত করতে পারেন। এ সময় দুজন সাক্ষীও উপস্থিত থাকবেন। তখন বর সরবে ‘কবুল’ অথবা ‘আমি গ্রহণ করলাম’ বলবেন। এরূপ তিনবার বলা উত্তম।

আনাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) যখন কোনো কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেওয়ার জন্য তিনবার বলতেন। আর যখন তিনি কোনো গোত্রের কাছে এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম দিতেন। (বুখারি, হাদিস : ৯৫)

শুধু বরকেই কবুল বলাতে হবে। কনের কাছ থেকে কনের অভিভাবক শুধু অনুমতি নেবেন। বর বোবা হলে সাক্ষীদ্বয়ের উপস্থিতিতে ইশারা বা লেখার মাধ্যমেও বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে। (শারহুল মুমতে আলা জাদিল মুসতাকনি : ১২/৪৪)



সাতদিনের সেরা