kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

দৈনন্দিন ইসলামী প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

৮ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঘোষণা দিয়ে তাহাজ্জুদের জামাত করা

প্রশ্ন : আমাদের এলাকার চার-পাঁচজন যুবক ঘোষণা দিয়ে মসজিদে জামাতের সহিত তাহাজ্জুদ পড়ে। এর বিধান কী?

  রোকন উদ্দিন, কুমিল্লা

উত্তর : ঘোষণা দিয়ে জামাত করে নফল নামাজ পড়া মাকরুহ। আগে থেকে ঘোষণা দিলেও তিনজনের বেশি ব্যক্তি জামাত করে নফল নামাজ পড়া মাকরুহ। (রদ্দুল মুহতার : ২/৪৯, আহসানুল ফাতাওয়া : ৩/৪৯৩, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ২/১৯৮)

 

সফরে সুন্নতের কসর নেই

প্রশ্ন : সফর অবস্থায় সুন্নতে মুয়াক্কাদা কসর করবে, নাকি পূর্ণ? যেমন—ফজরের ক্ষেত্রে কসর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় কথা হলো, সুন্নতে মুয়াক্কাদা কি পড়তেই হবে, নাকি ছেড়ে দিলেও চলবে? কেউ কেউ যুক্তি দিয়ে থাকে, যখন ফরজ নামাজই অর্ধেক করা হয়েছে, তখন সুন্নত পুরোই মাফ। এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য মত কী?

রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ

উত্তর : সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্য সুন্নতে মুয়াক্কাদাগুলো সাধারণ সুন্নতে পরিণত হয়। সময়-সুযোগ হলে পড়া ভালো। তবে ফজরের সুন্নত যথাসম্ভব পড়ার চেষ্টা করবে। সুন্নত কসর হয় না, রাকাতের পরিমাণ সর্বাবস্থায় অপরিবর্তিত থাকে। (আদ্দুররুল মুখতার : ২/১৩১, হিন্দিয়া : ১/১৩৯)

জোহর ও জুমার সময় কি এক?

প্রশ্ন : জোহরের নামাজ যতক্ষণ পড়া যায়, জুমার নামাজ কি ততক্ষণ পর্যন্ত পড়া যায়?

রাশেদুল ইসলাম, পটিয়া, চট্টগ্রাম

উত্তর : জুমা  ও জোহরের ওয়াক্ত একই। তবে সুন্নত হলো, পশ্চিমাকাশে সূর্য হেলার পর পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জুমা আদায় করে নেওয়া, বেশি দেরি করা সুন্নতপরিপন্থী। (আল মুহিতুল বুরহানি : ২/৭০, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৪/৩৬১)

 

ভাইয়ের বাড়িতে সফরের নামাজ

প্রশ্ন : আমাদের ভোলার বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে আমার বাবার ব্যক্তিগত কোনো বাড়ি নেই। তবে আমার ভাইয়েরা কয়েকজন বিভিন্ন জায়গায় আলাদা করে বাড়ি করেছেন। বর্তমানে মা-বাবা প্রত্যেক ভাইয়ের বাড়িতে পালাক্রমে দিন কাটাচ্ছেন। আর আমি ঢাকায় লেখাপড়া করি। প্রশ্ন হলো, আমি আমার কোনো ভাইয়ের বাড়িতে গেলে মুসাফির থাকব, নাকি মুকিম?

আসকার আলী, নওগাঁ

উত্তর : আপনার ভাইয়ের বাড়ি যেহেতু আপনার জন্য ওয়াতনে আসলি (মৌলিক ভূমি) নয়, সুতরাং আপনার ভাইয়ের বাড়ি যদি আপনার থাকার স্থান তথা ওয়াতনে ইকামত থেকে ৪৮ মাইল বা ৭৭.২৫ কিমি দূরে হয় এবং সেখানে ১৫ দিনের বেশি থাকার নিয়ত না করা হয়, তাহলে মুসাফির হিসেবে কসর করা ওয়াজিব। (হিন্দিয়া : ১/১৪২, ১/১৩৯, ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম : ৪/৪৪৮)

 

 



সাতদিনের সেরা