kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

উত্তম চরিত্র

ধোঁকা দেওয়া মুনাফিকের কাজ

মাইমুনা আক্তার   

৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধোঁকা দেওয়া মুনাফিকের কাজ

ধোঁকা দেওয়া মুনাফিকের কাজ। তারা মহান আল্লাহ ও তাঁর মুমিন বান্দাদের ধোঁকা দিতে গিয়ে নিজেরাই নিজেদের ধোঁকা দেয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাদের এই নির্বুদ্ধিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা আল্লাহ ও মুমিনদের প্রতারিত করে, আসলে তারা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকে প্রতারিত করে না; কিন্তু এটা তারা উপলব্ধি করতে পারে না। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৯)

মহান আল্লাহ সবার মনের কথা জানেন।

বিজ্ঞাপন

কোনো কিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়। কিন্তু অবিশ্বাসীরা এমন এমন কাজে লিপ্ত হয়, যেন তারা মহান আল্লাহর বিপক্ষেই চালাকির আশ্রয় নিচ্ছে। তারা ভাবে তারা হয়তো এই ঠুনকো কিছু কৌশল দিয়ে আল্লাহকে পরাজিত করতে পারবে (নাউজুবিল্লাহ)।   অথচ এটা কখনোই সম্ভব নয়; বরং মহান আল্লাহ তাদের সুযোগ দিয়ে উল্টো তাদের ধোঁকার জালে ফেলে রাখেন। সময়মতো তাদের কৃতকর্মের ফল তাদের কড়ায়গণ্ডায় বুঝিয়ে দেওয়া হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই মুনাফিকরা আল্লাহর সঙ্গে ধোঁকাবাজি করে, বস্তুত তিনি তাদের ধোঁকায় ফেলেন। ’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৪২)

এ জন্য মুমিনের উচিত, কখনো কাউকে ধোঁকা দেওয়া থেকে বিরত থাকা। মহান আল্লাহ এই অভ্যাসটি মোটেই পছন্দ করেন না। যারা মানুষকে ধোঁকা দেয়, তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, মহানবী (সা.) তাঁর এক দীর্ঘ ভাষণের একাংশে বলেন, পাঁচ প্রকার মানুষ জাহান্নামি হবে। এক. এমন দুর্বল মানুষ, যাদের মাঝে (ভালো-মন্দ) পার্থক্য করার বুদ্ধি নেই, যারা তোমাদের এমন তাঁবেদার যে না তারা পরিবার-পরিজন চায়, না ধনৈশ্বর্য। দুই. এমন খিয়ানতকারী মানুষ, সাধারণ বিষয়েও যে খিয়ানত করে যার লোভ কারো নিকটই লুক্কায়িত নেই। তিন. ওই লোক, যে তোমার পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের ব্যাপারে তোমার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা প্রতারণা করে। চার. কৃপণতা। পাঁচ. মিথ্যা বলার কথাও উল্লেখ করেছেন। (মুসলিম, হাদিস : ৭০৯৯)

মহান আল্লাহ সবাইকে এই অভ্যাস থেকে দূরে রাখুন।

 



সাতদিনের সেরা