kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

অমুসলিমরাও মানে, আল্লাহ একজন আছেন

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ   

৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অমুসলিমরাও মানে, আল্লাহ একজন আছেন

সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস অমুসলিমদেরও আছে। পৃথিবীখ্যাত কাফির ফেরাউন, আবু জাহল, আবু লাহাব সবাই আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে বিশ্বাস করত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যদি তুমি তাদের (অমুসলিমদের) জিজ্ঞেস করো, কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং চন্দ্র-সূর্যকে নিয়ন্ত্রিত করেছেন? অবশ্যই তারা বলবে, আল্লাহ। তাহলে তারা কোথায় ফিরে যাচ্ছে?

আল্লাহ তার বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা তার রিজিক বর্ধিত করেন এবং যার জন্য ইচ্ছা তা সীমিত করেন।

বিজ্ঞাপন

নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।

যদি তুমি তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করে, কে ভূমিকে জীবিত করেন তার মৃত্যুর পর? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলো, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের বেশির ভাগ এটা অনুধাবন করে না। ’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত : ৬১-৬৩)

আসমান-জমিন এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে এসব কিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহ বলেন, ‘আসমান ও জমিনের একচ্ছত্র মালিক আল্লাহ। ’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৮৯)

কাফিররা আল্লাহকে সব কিছুর মালিক হিসেবেও বিশ্বাস করে। আল্লাহ বলেন, ‘জিজ্ঞেস করো, সব কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে? যিনি আশ্রয় দেন ও যার ওপর আশ্রয়দাতা কেউ নেই, যদি তোমরা জানো।

শিগগিরই তারা বলবে, আল্লাহ। বলো, তাহলে কিভাবে তোমরা জাদুগ্রস্ত হচ্ছ?’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত : ৮৮-৮৯)

সব কিছুর নিয়ন্ত্রক বা পরিচালক মহান আল্লাহ। কাফিররাও এই বিশ্বাস করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি জিজ্ঞেস করো, কে তোমাদের আকাশ ও ভূমি থেকে রিজিক দিয়ে থাকেন। কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক? কে জীবিতকে মৃত থেকে এবং কে মৃতকে জীবিত থেকে বের করে আনেন এবং কে সব কিছু পরিচালনা করেন? নিশ্চয়ই তারা বলবে, আল্লাহ। অতএব তুমি বলো, তাহলে কেন তোমরা তাঁকে ভয় করো না?’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ৩১)

উল্লিখিত আয়াত থেকে প্রমাণিত হয়, আল্লাহই সব কিছু পরিচালনা করে থাকেন। আর এটাও প্রমাণিত হলো যে কাফিররা আল্লাহকে সব কিছুর পরিচালক হিসেবে বিশ্বাস করে। আল্লাহ তাআলাকে সৃষ্টিকর্তা, সব কিছুর মালিক ও পরিচালক হিসেবে বিশ্বাস করার নাম তাওহিদুর রুবুবিয়াহ। ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ প্রায় সবাই এ ধরনের তাওহিদে বিশ্বাস করে। কিন্তু অমুসলিমরা ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর সঙ্গে বিভিন্ন কিছুকে শরিক করে। সুতরাং পরকালে মুক্তির জন্য শিরকমুক্ত ইবাদত জরুরি।

 



সাতদিনের সেরা