kalerkantho

শনিবার । ১৩ আগস্ট ২০২২ । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৪ মহররম ১৪৪৪  

বিশ্বনবীর দান-নীতি

মারজিয়া আক্তার   

২৫ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বনবীর দান-নীতি

মহানবী (সা.) মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন। দানের ক্ষেত্রে তাঁর সুন্নত ছিল—তাঁর কাছে কোনো সম্পদ এলে সঙ্গে সঙ্গে তা দান করে দিতেন, নিজের কাছে রেখে দিতেন না। কেউ তাঁর কাছে কোনো কিছু চাইলে তা যদি তাঁর কাছে থাকত, তাহলে তিনি তা দান করতেন। কম হোক বা বেশি হোক।

বিজ্ঞাপন

তাঁর কাছ থেকে দান গ্রহণকারী কিছু পেয়ে যতটা খুশি হতো, দান করতে পেরে তিনি তার চেয়ে বেশি খুশি হতেন। কোনো অভাবী মানুষ তাঁর কাছে এলে তিনি সেই অভাবীকে নিজের ওপর প্রাধান্য দিতেন। কখনো তিনি নিজের খাদ্য, আবার কখনো নিজের পরিধেয় বস্ত্র অভাবীকে দিয়ে দিতেন।

তিনি বিভিন্ন ধরনের দান করতেন। কখনো তিনি হাদিয়াস্বরূপ দান করতেন, কখনো সদকাস্বরূপ দান করতেন, আবার কখনো  িহেবা (নিঃশর্ত দান) করতেন। কখনো তিনি কোনো জিনিস ক্রয় করতেন। অতঃপর বিক্রেতাকে ক্রয়কৃত দ্রব্য ও মূল্য উভয়টা দিয়ে দিতেন। কখনো তিনি ঋণ নিতেন এবং পরিশোধের সময় তার চেয়ে বেশি দান করতেন। তিনি যখন হাদিয়া গ্রহণ করতেন তখন কোনো না কোনোভাবে তার বদলা দিতেন। তিনি কথার মাধ্যমে, কাজের মাধ্যমে, দানের মাধ্যমে এবং সব ধরনের লেনদেন ও আচরণের মাধ্যমে অন্যের প্রতি অনুগ্রহ করতেন। কখনো তিনি নিজ থেকে দান করতেন, আবার কখনো অন্যকে দান করার আদেশ ও উৎসাহ দিতেন। কৃপণ লোকেরা দানের ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থা দেখে দান করার প্রতি উৎসাহ পেত। তাঁর সঙ্গে যাঁরা মিশতেন তাঁরাও বদান্যতার গুণে গুণান্বিত হতেন। তাঁর বক্ষ খুব প্রশস্ত ছিল, স্বভাব-চরিত্র খুব পবিত্র ছিল।

বক্ষ প্রশস্ত করার ক্ষেত্রে দান-সদকা ও সদাচরণের বিরাট প্রভাব রয়েছে। আল্লাহ তাআলা রিসালাত ও তার বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমেও তাঁর বক্ষকে প্রশস্ত করে দিয়েছেন। বাহ্যিকভাবে আল্লাহ তাআলা তাঁর বক্ষকে খুলে তা থেকে শয়তানের অংশ বের করে দিয়েছেন।

মুখতাসার জাদুল মাআদ অবলম্বন



সাতদিনের সেরা