kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

কথা বলতে হবে ধীরস্থিরে

নবী করিম (সা.) এমনভাবে কথা বলতেন যে কোনো গণনাকারী গুনতে চাইলে তাঁর কথাগুলো গণনা করতে পারত। [বুখারি, হাদিস : ৩৫৬৭]

মারজিয়া আক্তার   

২৪ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কথা বলতে হবে ধীরস্থিরে

উত্তম কথা বলতে হবে, নতুবা চুপ থাকতে হবে। রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (বুখারি, হাদিস : ৬০১৮-১৯)

ধীরে-সুস্থে কথা বলতে হবে, যাতে সবার বোধগম্য হয়। হাদিসে এসেছে, আয়েশা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) এমনভাবে কথা বলতেন যে কোনো গণনাকারী গুনতে চাইলে তাঁর কথাগুলো গণনা করতে পারত।

বিজ্ঞাপন

(বুখারি, হাদিস : ৩৫৬৭)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, তুমি অমুকের অবস্থা দেখে কি অবাক হও না? তিনি এসে আমার কক্ষের পাশে বসে আমাকে শুনিয়ে হাদিস বর্ণনা করেন। আমি তখন সালাতে ছিলাম। আমার সালাত শেষ হওয়ার আগেই তিনি উঠে চলে যান। যদি আমি তাকে পেতাম, তবে আমি অবশ্যই তাকে সতর্ক করে দিতাম যে রাসুলুল্লাহ (সা.) তোমাদের মতো দ্রুততার সঙ্গে কথা বলতেন না। (বুখারি, হাদিস : ৩৫৬৮)

নম্রভাবে কথা বলা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তাআলা বলেন, “রহমান (দয়াময়)-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের যখন অজ্ঞ লোকেরা (বাজে) সম্বোধন করে, তখন তারা বলে ‘সালাম’। ” (সুরা : ফুরকান, আয়াত : ৬৩)

অন্যত্র তিনি বলেন, ‘আর তোমার চলার ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করো, তোমার আওয়াজ নিচু করো। নিশ্চয়ই সবচেয়ে নিকৃষ্ট আওয়াজ হলো গাধার আওয়াজ। ’ (সুরা : লোকমান, আয়াত : ১৯)



সাতদিনের সেরা