kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

উত্তম চরিত্র

বিদ্বেষী মানুষ আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত

রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যারা আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান

মাইমুনা আক্তার   

২৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিংসা-বিদ্বেষ মানুষের আমলকে ত্রুটিযুক্ত করে। মানুষের মস্তিষ্কে সর্বদা প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে রাখে। এমনকি ইবাদতের সময় প্রতিপক্ষের আঘাতগুলোর কথা বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, ফলে মানুষের ইবাদতও ত্রুটিযুক্ত হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ভয়ংকর বিষয় হলো, বিদ্বেষ মানুষকে আল্লাহর দরবারে ক্ষমার অযোগ্য করে তোলে, যতক্ষণ মানুষ বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা না করে, ততক্ষণ তাদের ক্ষমা করা হয় না।

বিজ্ঞাপন

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যারা আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর বলা হবে, এ দুজনকে আপস মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও, এ দুজনকে আপস মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও, এ দুজনকে আপস মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও। (মুসলিম, হাদিস : ৬৪৩৮)

তবে কিছু ক্ষেত্রে কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ ফরজ হয়ে যায়, তবে তা হতে হবে একমাত্র আল্লাহর জন্য, ইসলামের স্বার্থে। একমাত্র আল্লাহর জন্য কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণের প্রয়োজন হলে, তা করাই আল্লাহর প্রিয় হওয়ার মাধ্যম। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে আল্লাহর জন্যই ভালোবাসে, আল্লাহর জন্যই বিদ্বেষ পোষণ করে, আল্লাহর জন্যই দান এবং আল্লাহর জন্যই দান থেকে বিরত থাকে, সে তো ঈমানকে পূর্ণ করে নিল। (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৬৮১)



সাতদিনের সেরা