kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

ইতিবাচক মনোভাব জীবনে স্বস্তি আনে

জীবনের সব অবস্থায় শোকর ও সবরের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় রাখবে। সব কিছু যথাসম্ভব ইতিবাচকভাবে নেবে

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ   

২৬ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানুষের জীবন ভালো-মন্দ, সহজ-কঠিন, ইতি আর নেতির বিচিত্র সমাহার। জীবনে কখনো ভালো সময় আসবে, কখনো মন্দ সময় আসবে—এটাই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ। অতএব একজন মুমিন ব্যক্তি সর্বদা মধ্যমপন্থা অবলম্বন করে তার জীবন পরিচালনা করবে। এমনভাবে যে আনন্দের সময় সে আত্মহারা হবে না, আবার দুঃখের সময় শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়বে না।

বিজ্ঞাপন

জীবনের সব অবস্থায় শোকর ও সবরের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় রাখবে। সব কিছু যথাসম্ভব ইতিবাচকভাবে নেবে। যেমন—ওহুদ যুদ্ধের সাময়িক পরাজয়ে যেন মুসলমানরা বেশি শোকাকুল না হয়, সে জন্য ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লালনের জন্য মহান আল্লাহর সান্ত্বনাসূচক বক্তব্য এমন : ‘তোমাদের যদি আঘাত লেগে থাকে, অনুরূপ আঘাত (বদর যুদ্ধে) তো তাদেরও লেগেছে এবং মানুষের মধ্যে এ (বিপদের) দিনগুলোকে পর্যায়ক্রমে অদলবদল করে থাকি...। ’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৪০)

দুঃখ সবার জীবনে আসে—এই চিন্তা দুঃখ সইতে সহায়তা করে। ঈমানদারের পরিচয় দিতে গিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, মুমিনের অবস্থা বিস্ময়কর। সব কাজ তার জন্য কল্যাণকর। মুমিন ছাড়া অন্য কেউ এ বৈশিষ্ট্য লাভ করতে পারে না। যখন তারা কল্যাণ ও মঙ্গলের মধ্যে থাকে, তখন শোকরিয়া আদায় করে। আর যখন অসচ্ছলতা কিংবা বিপদাপদে আক্রান্ত হয়, তখন ধৈর্য ধারণ করে। ফলে প্রতিটি অবস্থাই তার জন্য কল্যাণকর হয়ে যায়। (মুসলিম, হাদিস : ৭৩৯০)

 



সাতদিনের সেরা