kalerkantho

রবিবার । ৩ জুলাই ২০২২ । ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ । ৩ জিলহজ ১৪৪৩

দৈনন্দিন ইসলামী প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

২৫ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মসজিদের দেয়ালে পোস্টার ও স্টিকার লাগানো

প্রশ্ন : যত্রতত্র পোস্টার, স্টিকার ইত্যাদি লাগানোর বিধান কী? বিশেষ করে মসজিদ-মাদরাসার দেয়ালে?

অধ্যাপক হানিফ, চাঁদপুর

উত্তর : মসজিদ ও মাদরাসার দেয়ালে পোস্টার, স্টিকার লাগানোর অনুমতি নেই। ব্যক্তিমালিকানাধীন দেয়ালে বিনা অনুমতিতে লাগানো জায়েজ হবে না। অনুমতি থাকলে জায়েজ হবে। সরকারি দেয়ালে লাগানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা না থাকলে জায়েজ হবে।

বিজ্ঞাপন

(আদ্দুররুল মুখতার : ৬/২০০, রদ্দুল মুহতার : ৪/৩৫৭, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/৩৪৬)

 

ভুলবশত সাহু সিজদা না দিলে

প্রশ্ন : গতকাল এশার নামাজ পড়ার সময় আমার ওপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছিল। কিন্তু সালাম ফেরানোর সময় আমি সাহু সিজদা দিতে ভুলে যাই। বিষয়টি পরে আমার মনে পড়ে। এখন আমার জন্য ওই নামাজ পুনরায় পড়া কি ওয়াজিব?

বাবলু হায়দার, চুয়াডাঙ্গা

উত্তর : ফরজ নামাজে সাহু সিজদা ওয়াজিব হওয়ার পর যদি আদায় করতে স্মরণ না থাকে পরবর্তীতে ওয়াক্তের ভেতর বা বাইরে স্মরণ হলে ওই নামাজ পুনরায় পড়া ওয়াজিব। (ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/৬৪-৬৫, বেহেস্তি জিওর : ২/৩৬)

 

মাগরিব-এশা একাকী পড়ার সময় কিরাত

প্রশ্ন : মসজিদে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে ইমাম সাহেবরা মাগরিব-এশার নামাজের সময় জোরে কিরাত পড়েন। একাকী নামাজের ক্ষেত্রে যদি এই নামাজগুলোতে জোরে কিরাত পড়ি, তাহলে কি জায়েজ হবে?

পারভেজ আহমেদ, নোয়াখালী

উত্তর : জামাতে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে যেসব নামাজে কিরাত জোরে পড়া হয়, সেই নামাজগুলো একাকী পড়ার সময় কিরাত আস্তে ও জোরে উভয় পদ্ধতিতেই পড়া যায়। তবে অধিক জোরে না পড়ে স্বাভাবিক আওয়াজে পড়বে। আর ওই নামাজ ওয়াক্তের পরে কাজা করার সময় কিরাত আস্তে পড়া আবশ্যক। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/২৫১)

 

মুক্তাদির সানা-তাসবিহর আওয়াজ

কতটুকু হবে?

প্রশ্ন : কিছু মুসল্লি আছে, জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়ার সময় সানা, তাশাহুদ ইত্যাদি যা কিছু পড়তে হয় সেগুলো এত উচ্চৈঃস্বরে পড়ে, যা কাতারের ডানে পাঁচ-সাতজন এবং বাঁয়ে পাঁচ-সাতজনের কানে আওয়াজ পৌঁছে। এ ধরনের মুসল্লিদের নামাজ শুদ্ধ হবে কি?

আখতার হোসেন, চট্টগ্রাম

উত্তর : নামাজে তাকবির, তাসবিহ, সানা, তাশাহুদ ইত্যাদি নিজ কানে শোনার মতো আওয়াজে পড়া সুন্নত। ভুলবশত কিংবা অজ্ঞতার কারণে আওয়াজ পাঁচ-সাতজন শোনার মতো উচ্চৈঃস্বরে হয়ে গেলেও নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/৪৭৫-৪৭৬, বায়হাকি : ২/১৪৬)



সাতদিনের সেরা