kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

বিশ্বাসের মিনার

আল্লাহকে তাঁর গুণবাচক নামে স্মরণ করা

আল্লাহর আছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাঁকে সেসব নামেই ডাকবে।’ [ সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮০ ]

মুফতি আতাউর রহমান   

১৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আল্লাহকে তাঁর গুণবাচক নামে স্মরণ করা

মহান স্রষ্টার সত্তাগত নাম তথা ‘আল্লাহ’ নামে যেমন তাঁর জিকির ও প্রার্থনা করা যায়, এই নামে যেভাবে শপথ করা যায় এবং আশ্রয় প্রার্থনা করা যায়, তেমনি আল্লাহর গুণবাচক নামেও তাঁর প্রার্থনা ও জিকির করা যায় এবং এসব নামে শপথ করাও বৈধ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর আছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাঁকে সেসব নামেই ডাকবে। ’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮০)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই বলে দোয়া করতেন যে আমি আপনার ইজ্জতের আশ্রয় চাচ্ছি, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।

বিজ্ঞাপন

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৩৮৩)

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ‘আল্লাহর গুণাবলি দ্বারা শপথ করা আল্লাহর সত্তাগত নামে শপথ করার মতো। যেমন— কেউ যদি বলে ‘আল্লাহর ইজ্জতের কসম’, ‘আল্লাহর কালামের শপথ’। কেননা এসব গুণবাচক নাম দ্বারা শপথ করার বৈধতা নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কিরাম (রা.) থেকে প্রমাণিত। ঠিক যেমন আল্লাহর গুণবাচক নাম স্মরণ করে আশ্রয় প্রার্থনা করা বৈধ।

আল্লাহর গুণবাচক নাম দ্বারা তাঁর জিকির, তাসবিহ পাঠ ও কসমের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা আবশ্যক। যেন এসব নামের উচ্চারণ যথাযথ হয় এবং কোনো ধরনের বিকৃতি না ঘটে। কেননা মহান আল্লাহর হুঁশিয়ারি হলো—‘যারা তাঁর (আল্লাহর) নাম বিকৃত করে তাদের বর্জন করবে। তাদের কৃতকর্মের ফল তাদের দেওয়া হবে। ’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮০)

আল-মাউসুয়াতুল আকাদিয়া

 



সাতদিনের সেরা