kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

কাবাগৃহের সেবায় আহমদ খানের চার দশক

মুহাম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাবাগৃহের সেবায় আহমদ খানের চার দশক

চার দশক আগে মাত্র ২৩ বছর বয়সে সৌদি আরবে আসেন পাকিস্তানের মান্দি বাহাউদ্দিন এলাকার আহমদ খান কান্দাল। তখন তাঁর কল্পনায় ছিল না যে আগামী ৪০ বছর তিনি এখানে থাকবেন। বিশেষত করোনাকালের কঠিন সময়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে তিনি পবিত্র কাবা মসজিদে কাজ করবেন। আহমদ খান মা-বাবাকে যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ে ফেরার অঙ্গীকার দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর আহমদ খান মক্কানগরী ও পবিত্র মসজিদুল হারামের ভালোবাসায় সৌদিতে থেকে যান। এখন তিনি পবিত্র মসজিদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পবিত্র কাবার চার দশকের সেবক আহমদ খান বহু ঐতিহাহিক ঘটনার সাক্ষী। বিশেষত, মসজিদুল হারামের প্রথম ও দ্বিতীয় সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং কাবা পুনর্গঠন প্রকল্পের সময় সব কাজ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘৪০ বছর আগে যখন সৌদিতে আসি, তখন আমার মনে হয়েছিল যে আমি পরিবারের মধ্যেই আছি। আমি নিঃসঙ্গতা অনুভব করিনি। নতুন কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে তারা বলল, আমি কতই না সৌভাগ্যবান!’

তিনি আরো বলেন, ‘পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণে নামাজ আদায় ও মসজিদুল হারামে সেবার সুযোগ মহান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। আমি সব সময় পবিত্র কাবাঘরের কাছে অবস্থান করি। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে আমি মহান আল্লাহর বিশেষ নৈকট্য লাভে ধন্য হয়েছি। এত দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি গর্বিত।’ পবিত্র মসজিদুল হারামে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আহমদ খান দীর্ঘ ১১ বছর একটি ক্লিনিং কম্পানিতে কাজ করেছেন। এরপর তিনি সৌদির প্রসিদ্ধ বিনলাদেন গ্রুপেও কাজ করেছেন। সবার কাছে তিনি দক্ষ ও পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আহমদ খানের ইচ্ছা, পবিত্র মক্কানগরীতে যেন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র : আরব নিউজ



সাতদিনের সেরা