kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ইসলামে জাদু-টোনার চর্চা নিষিদ্ধ

মুফতি আবদুল্লাহ নুর   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাদু-টোনা এমন অদ্ভুত কর্মকাণ্ড, যাতে কুফরি, শিরক ও পাপাচারকে অবলম্বন করা হয়। অবৈধভাবে জিন ও শয়তানকে সন্তুষ্ট করে তাদের সাহায্য নেওয়া হয় এবং মানুষের ক্ষতিসাধন করা হয়। এ জাতীয় জাদু-টোনা কুফরির অন্তর্ভুক্ত। কোরআনে জাদু-টোনাকে অনিষ্টকর বিদ্যা বলা হয়েছে। এর দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ-বিসংবাদ সৃষ্টি ও তাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য নষ্ট করা হয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা যা শিক্ষা করত তা তাদের ক্ষতি সাধন করত এবং কোনো উপকারে আসত না; আর তারা নিশ্চিতভাবে জানত যে যে ব্যক্তি তা ক্রয় করে (চর্চা করে) পরকালে তার কোনো অংশ নেই। তা কত নিকৃষ্ট, যার বিনিময়ে তারা স্বীয় আত্মাকে বিক্রি করেছে—যদি তারা জানত।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১০২)

একইভাবে জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চার মাধ্যমে বা হাতের রেখার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যদ্বাণী করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। কেননা ভবিষ্যতের নিশ্চিত জ্ঞান শুধু আল্লাহর তাআলারই আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গণক বা জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো কিছু জানতে চায় ৪০ দিন পর্যন্ত তার নামাজ কবুল হয় না।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস : ৩৯৩)

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘জ্যোতিষী হলো গণক আর গণক হলো জাদুকর।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস : ৩৯৪)

তাই জ্যোতিষী বা গণকের কাছে যাওয়া এবং তাদের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের পরিপন্থী কাজ। সব মুমিনের উচিত এসব কাজ থেকে বিরত থাকা।



সাতদিনের সেরা