kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রশ্ন-উত্তর

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইমাম অনুচ্চ স্বরে তাকবির বললে

প্রশ্ন : ইমাম ভুলক্রমে সশব্দে তাকবির না বলে নীরবে তাকবির দিয়ে নামাজ শেষ করে ফেলেছেন—এই নামাজের বিধান কী?

বদরুল, রংপুর

উত্তর : ইমামের জন্য নামাজের তাকবির উঁচু আওয়াজে বলা সুন্নত। কিন্তু কোনো ইমাম ভুলক্রমে বিনা আওয়াজে তাকবির বলে নামাজ শেষ করলেও নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। সাহু সিজদা দিতে হবে না। এ ধরনের ভুলে নামাজের কোনো ক্ষতি হয় না। (হালবি কাবির : ৪৫৫, আল মুহিতুল বুরহানি : ১/৩৩৮, আহসানুল ফাতাওয়া : ৩/২৬৬)

 

নামাজের সময় শেষ হওয়ার উপক্রম হলে

প্রশ্ন : একজন ব্যক্তির ওপর গোসল ফরজ, সে নামাজের শেষ সময়ের ১০ মিনিট আগে জাগ্রত হয়েছে। এখন গোসল করতে গেলে নামাজের ওয়াক্ত বাকি থাকবে না। এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে নামাজ আদায় করবে? আর যদি কখনো এমন হয় যে তাঁর হাতে সময় আছে; কিন্তু পুকুরঘাটে তাঁর মা-বোন থাকায় সেখানে যেতে পারছে না, এ অবস্থায় করণীয় কী?

ইসহাক, সিরাজগঞ্জ

উত্তর : সময় কম থাকলে শুধু গোসলের ফরজগুলো তাড়াতাড়ি সেরে নামাজ পড়ে নেবে। যেমন—কুলি করে নাকে পানি দিয়ে পুকুরে একটি ডুব দেওয়ার জন্য আনুমানিক তিন মিনিট সময়ের প্রয়োজন। তারপর ফরজ ও ওয়াজিবসহ শুধু ফরজ আদায় করে নেবে। তবে যদি ততটুকু সময়ও না থাকে, তাহলে সময়ের সংকীর্ণতায় তায়াম্মুম করে ফরজ নামাজ আদায় করে নেবে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোসল করে ওই নামাজ পুনরায় পড়ে নেবে। যেকোনো উপায়ে ফরজ গোসল সেরে ওয়াক্তের ভেতরে তাড়াতাড়ি ফরজ নামাজ পড়ে নেবে। (রদ্দুল মুহতার : ১/২৩৪, আহসানুল ফাতাওয়া : ২/৫৪, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/৭১)

 

তিন আয়াত পড়ার পর ভুলে অন্য সুরা পড়া

প্রশ্ন : নামাজে কিরাত পড়াকালীন তিন আয়াতের পরে যদি ভুলে অন্য সুরায় চলে যায়, তাহলে নামাজের বিধান কী?

এনামুল হক, মুরাদনগর, কুমিল্লা

উত্তর : নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। তবে ইমাম নিজের ভুল বুঝতে পারলে লোকমার অপেক্ষা না করে রুকুতে চলে যাবে। লোকমা মানে ইমামের পেছন থেকে কোনো মুসল্লি ইমামের ভুল শুধরে দেওয়া। ইমামের জন্য লোকমার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা উচিত নয়। (হিন্দিয়া : ১/৭১, কেফায়াতুল মুফতি : ৩/৪৫৯, ফাতাওয়ায়ে রহিমিয়া : ১/১৫৫)

 

আকিকার পশুর চামড়ার বিধান

প্রশ্ন : সন্তানের আকিকা দেওয়ার জন্য যে পশু আকিকা দেওয়া হয়, তার চামড়ার বিধান কী?

ফরহাদ, ময়মনসিংহ

উত্তর : ইসলামের আলোকে আকিকার চামড়ার বিধান কোরবানির চামড়ার মতো। চামড়া নিজে ব্যবহার করতে পারবে অথবা ধনী-গরিব যে কাউকে দান করতে পারবে। তবে বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য কোনো অসহায়, গরিব বা এতিমকে সদকা করে দিতে হবে। (আল ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু : ৪/২৮৭, এমদাদুল মুফতিন : ৮০৩, ফাতাওয়ায়ে রহিমিয়া : ৬/১৭৩)

 

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা



সাতদিনের সেরা