kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রশ্ন-উত্তর

৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেষ বৈঠকে সুরা না মেলানোর কথা মনে পড়লে

প্রশ্ন : আমি মাগরিবের নামাজে প্রথম রাকাত পাইনি। ফলে এক রাকাত একাকি পড়তে হয়েছে। সমস্যা হলো আমি ভুলক্রমে সে রাকাতে সুরা মেলাইনি। পরে শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু ও দরূদ পড়ার পর আমার মনে হলো যে আমি সুরা মেলাইনি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী?

জহির হোসেন, দিনাজপুর

উত্তর : প্রশ্নোক্ত পরিস্থিতিতে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে। সিজদায়ে সাহু না করে থাকলে ওই ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ দোহরানো আবশ্যক, ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ না দোহরালে পরে দোহরানো মুস্তাহাব। (শামী : ২/৬৩৪)

 

সালামে ৯০ এবং জবাবে ১০ নেকি?

প্রশ্ন : আমাদের জানামতে, সালাম দিলে ৯০ নেকি, জবাব দিলে ১০ নেকি—এই কথাটি সঠিক কি না?

আতাউল্লাহ, গাজীপুর

উত্তর : পূর্ণ সালাম উচ্চারণকারী সালামদাতার জন্য ৩০ নেকি এবং সালামের সঙ্গে সঙ্গে মুসাফাহা করা হলে ৯০ (রহমত) নেকি। উত্তরদাতার জন্য কোরআন ও হাদিসে প্রশংসা রয়েছে এবং সালামদাতার সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি শব্দ দ্বারা জবাব দেওয়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু সওয়াবের কোনো পরিমাণ উল্লেখ পাওয়া যায়নি। তবে মুসাফাহাসহ উত্তরদাতার জন্য ১০ নেকির কথা কিতাবে উল্লেখ আছে। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৮৬, আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৯৫)

 

স্ত্রীর সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করলে গুনাহ হবে?

প্রশ্ন : স্বামী তার স্ত্রীর সঙ্গে ওয়াদা করে যায় যে সাত মাস পর চলে আসব। পরে যদি ওয়াদামতো আসতে না পারে, তাহলে পরকালে স্বামীর জবাবদিহি করতে হবে কি না?

বাহাদুর মিয়া, বরুড়া, কুমিল্লা

উত্তর : স্বামী যদি স্ত্রীকে ওয়াদা করার সময় তা পূরণ করার নিয়ত করে এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো ওজরবশত (যৌক্তিক কারণে) পূরণ করতে না পারে, তাহলে গুনাহ হবে না। তবে বিনা ওজরে (অযৌক্তিক কারণে) পূরণ না করলে গুনাহ হবে। (জামিউল ফাতাওয়া : ১/৬৬৩, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/৩৭৫)

 

নামাজের মোবাইল নম্বর বলতে কিছু আছে?

প্রশ্ন : নামাজের মোবাইল নম্বর ‘টু ডাবল ফোর থ্রি ফোর’, এর উৎস কতটুকু সঠিক। জানতে চাই?

শফিকুল ইসলাম, রংপুর

উত্তর : এটি লোকমুখে প্রচলিত কথা। ইসলামে এর কোনো উৎস নেই। এটি উদাহরণ হিসেবে বলা হয়। এটি কোরআন-হাদিসের কথা বা শরিয়তের কোনো বিধান নয়। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/৩৭৫)

 

মেয়েকে ওয়ারিশি সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা

প্রশ্ন : আমার এক আত্মীয় হাজি সাহেব নামাজ-রোজাও ঠিকভাবে করেন। কিন্তু তিনি তাঁর তিন মেয়েকে কোনো সম্পদ দিতে রাজি না। তাঁর ধারণা, মেয়েদের সম্পদ না দিলে পাপ হয় না। তাঁর সব সম্পত্তি ছেলেদের দিতে চান। এ ব্যাপারে ইসলাম কী বলে?

সাখাওয়াত হোসেন, শেরপুর

উত্তর : নারী হোক বা পুরুষ, কাউকে তার প্রাপ্য ওয়ারিশি সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা মারাত্মক গুনাহ। হাদিস শরিফে বঞ্চিতকারীকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৭০৩)



সাতদিনের সেরা