kalerkantho

শুক্রবার । ৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৩ জুলাই ২০২১। ১২ জিলহজ ১৪৪২

ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার পুরস্কার জান্নাত

২০ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার পুরস্কার জান্নাত

ইমরান ইবনে হাত্তান তাঁর সময়ে খারেজি সম্প্রদায়ভুক্ত একজন বিদগ্ধ কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আজও সমাজে বেশ কিছু চটকদার কল্পকাহিনি প্রচলিত আছে। ইমাম জামাখশারি (রহ.) বলেন, ইমরান ইবনে হাত্তান যথেষ্ট কালো ও কুৎসিত আকৃতির লোক ছিলেন। পক্ষান্তরে তাঁর স্ত্রী ছিলেন রূপের রানি। একদিন তিনি স্বামীর চেহারার দিকে অনেকক্ষণ অপলকনেত্রে তাকিয়ে থেকে হঠাৎ বলে উঠলেন, আলহামদুলিল্লাহ! ইমরান জিজ্ঞেস করলেন, কী খবর, কিসের ওপর তুমি আলহামদুলিল্লাহ বললে? স্ত্রী উত্তর দিলেন, আমি এ কথার ওপর আল্লাহর শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা আদায় করলাম যে তিনি আমাদের দুজনকেই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। স্বামী জানতে চাইলেন, কিভাবে? স্ত্রী বললেন, তুমি আমার মতো সুন্দরী স্ত্রী পেয়ে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা আদায় করছ আর আমি তোমার মতো কুৎসিত স্বামী পেয়েও ধৈর্য ধারণ করছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কৃতজ্ঞ ও ধৈর্যশীলের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমি ধৈর্যশীলা হিসেবে জান্নাত লাভ করব আর তুমি জান্নাতে যাবে শুকরিয়া আদায়কারী হিসেবে। (আল কাশশাফ, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৫৭২)

লেখা দুটি আল্লামা তাকি উসমানী (দা.বা.) রচিত উর্দু গ্রন্থ ‘তারাশে’ থেকে অনুবাদ করেছেন বেলায়েত হুসাইন



সাতদিনের সেরা