kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

প্রশ্ন-উত্তর

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিমদাড়ি রাখা কি বাধ্যতামূলক?

প্রশ্ন : নিমদাড়ি রাখা কি বাধ্যতামূলক? অনেকে বলে নিম দাড়ি কেটে ফেললে সমস্যা নেই।

আরিফুল ইসলাম, শেখের চর, নরসিংদী

উত্তর : নির্ভরযোগ্য মতানুসারে নিমদাড়িও দাড়ির অন্তর্ভুক্ত। তাই তা কাটা জায়েজ হবে না। (বুখারি, হাদিস : ৩৫৪৫, উমদাতুল কারি : ১৬/১০৪)

 

শুধু পানি নিলে পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন : কোনো ব্যক্তি যদি প্রস্রাব করে টিস্যু না নিয়ে শুধু পানি নেয়, তাহলে পবিত্রতা অর্জন হবে?

মুমিন, নারায়ণগঞ্জ

উত্তর : যদি সামান্য নড়াচড়া বা কাশি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রস্রাবের ফোঁটা আর না আসার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে যায়, তাহলে শুধু পানি ব্যবহারের দ্বারাও পবিত্রতা অর্জন হয়ে যায়। তবে পানি ব্যবহারের আগে ঢিলা-টিস্যু ইত্যাদি ব্যবহার করা সুন্নত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৪৬, আসসুনানুল কুবরা : ৫৪০, এমদাদুল আহকাম : ১/৪০০)

 

জোহর ও আসরের নামাজে জোরে কিরাত পড়লে

প্রশ্ন : আমরা জানি জোহর ও আসরের নামাজে কিরাত আস্তে পড়তে হয়। যদি কেউ এই নামাজগুলোতে সামান্য জোরে পড়ে ফেলে তাহলে কি তার সাহু সিজদা দিতে হবে। কতটুকু আওয়াজ করে পড়লে সাহু সিজদা দিতে হবে?

আব্দুল কাদের, ঝিনাইদহ

উত্তর : যেসব নামাজে কিরাত আস্তে পড়তে হয়, যদি কেউ সে নামাজে ফরজ আদায় হওয়া পরিমাণ কিরাত, অর্থাৎ বড় এক আয়াত বা ছোট তিন আয়াত অন্য ব্যক্তি শুনে—এমন উচ্চ স্বরে পড়ে, তাহলে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে। অন্যথায় হবে না। (হিন্দিয়া : ১/১২৮, ফাতহুল কাদির : ১/৪৪০, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ২/১৪৯, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৪/২০১)

 

ইমাম কি বিবাহিত হওয়া জরুরি?

প্রশ্ন : অবিবাহিত ইমামের পেছনে জামাতে নামাজ পড়া ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি? দলিলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

জুনাইম, কুমিল্লা

উত্তর : ইমামতি শুদ্ধ হওয়ার জন্য ইমাম বিবাহিত হওয়া শর্ত নয়। তাই অবিবাহিত সাবালকযোগ্য ব্যক্তির পেছনে নামাজ পড়া নিঃসন্দেহে জায়েজ। (রদ্দুল মুহতার : ১/৫৫০, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ৬/৭০, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৪/৪৪)

 

রোগী দেখার দোয়া একজনে পড়ে সবাই আমিন বলা

প্রশ্ন : আমরা জানি যে হাদিসে আছে, ‘কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হলে তার কাছে গিয়ে ‘আসআলুল্লাহাল আজিম রব্বাল আরশিল আজিম, আঁই ইয়াশফিয়াক’ সাতবার পড়লে সে অবশ্যই রোগমুক্ত হবে—যদি মৃত্যুর অবস্থার সম্মুখীন না হয়।’ প্রশ্ন হলো, এই দোয়া একজনে পড়া আর সবাই সম্মিলিতভাবে উচ্চ স্বরে ‘আমিন’ বলা কি যথেষ্ট?

আরশাদুল মামুন, ক্যালিফোর্নিয়া

উত্তর : রোগীর কাছে গিয়ে প্রশ্নে বর্ণিত দোয়াটি সাতবার পড়লে রোগমুক্তির সুসংবাদ এসেছে। তবে দোয়াটি পড়তে পারলে প্রত্যেকেই পড়ার চেষ্টা করবে, কেউ পড়তে অক্ষম হলে সে অন্য বক্তির পড়ার ওপর ‘আমিন’ বললেও চলবে। আর দোয়া নিম্ন স্বরে পাঠ করা উত্তম। তবে বর্ণিত দোয়া এমনভাবে পড়া যাবে যেন কমপক্ষে রোগী শুনতে পায়। এতে কোনো অসুবিধা নেই। (আবু দাউদ, হাদিস : ৩০১৬, আস সুনানুল কুবরা : ৯/৩৮৪, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৫/১০৭)

 

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

 



সাতদিনের সেরা