kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

করোনাবিষয়ক মাসআলা-৯

ঘরে জামাত করা

৬ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘরে জামাত করা

যাঁরা অপারগতার কারণে মসজিদে নামাজের জামাতে অংশ নিতে পারছেন না তাঁদের জন্য ঘরে জামাত করার অবকাশ আছে; বরং ইমাম আহমদ (রহ.)-এর মতে, তা ওয়াজিব। যখন ঘরে জামাত হবে, তখন পরিবারের প্রধান পুরুষ ব্যক্তি নামাজের ইমামতি করবেন। তিনি যদি ইমামতির জন্য এগিয়ে না আসেন তাহলে যার কোরআন তিলাওয়াত বেশি শুদ্ধ এবং মুখস্থশক্তি প্রখর, সে ইমামতি করবে। আর এমন একাধিক ব্যক্তি থাকলে নামাজের বিধান সম্পর্কে অধিক অবগত ব্যক্তি ইমামতি করবে। এরপর বয়স ও আল্লাহভীতির বিষয় বিবেচনা করা হবে। আবু মাসউদ আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সেই ব্যক্তি লোকদের ইমামতি করবেন, যিনি আল্লাহর কিতাব তথা কোরআন তিলাওয়াতে সবচেয়ে অভিজ্ঞ। কোরআন পাঠে যদি সবাই সমান হয় তাহলে যিনি তাঁদের মধ্যে সুন্নাহ সম্পর্কে সর্বাপেক্ষা অভিজ্ঞ। তাতেও যদি সবাই এক রকম হয় তাহলে যিনি আগে হিজরত করেছেন। তাতেও যদি সবাই সমান হয় তাহলে যিনি আগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।’

(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৬৭৩)

ঘরে নামাজ আদায়কারীদের মধ্যে মুসল্লি যদি একজন পুরুষ হন, তাহলে ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবেন। আর দুইয়ের বেশি হলে পেছনে দাঁড়ানো সুন্নত। মুসল্লি নারী হলে পেছনে দাঁড়াবেন। নারী মুসল্লি যদি মাহরাম (যাদের সঙ্গে বিয়ে বৈধ নয়) হন তাহলে ডানে বা বাঁয়ে দাঁড়ালেও নামাজ হবে। কিন্তু গাইরে মাহরাম হলে পেছনেই দাঁড়াতে হবে। মুসল্লি নারী ও পুরুষ উভয় শ্রেণির হলে নারী দাঁড়াবে পুরুষের পেছনে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি ও এতিম বালক তাঁর পেছনে দাঁড়াই এবং আমাদের পেছনে বৃদ্ধা নারী দাঁড়ান। তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে চলে যান।’ (মুয়াত্তায়ে মালিক, হাদিস : ১৭৯)