kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

করোনাবিষয়ক মাসআলা-৬

আজানের মধ্যে শব্দ সংযুক্তি

ড. খালিদ বিন আলী আল-মুশায়্যাকা   

২৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজানের মধ্যে শব্দ সংযুক্তি

করোনার মতো বিশেষ পরিস্থিতিতে—যখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারে না বা বের হলে সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতি ও বিপদের মুখোমুখি হওয়ার ভয় থাকে, তখন ‘সাল্লু ফি বুয়ুতিকুম’ বা ‘আস-সালাতু ফির-রিহাল’ অর্থাৎ ঘরে নামাজ আদায় করুন, আজানের মধ্যে এই জাতীয় শব্দ সংযুক্ত করার অবকাশ ইসলামী শরিয়তে আছে। এ ক্ষেত্রে হাদিসে তিন ধরনের বর্ণনা পাওয়া যায়—

এক.  আজানের পরে বলা। যেমনটি আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় পাওয়া যায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৩২)

দুই.  আজানের মধ্যে ‘হাইয়া আলাস-সালাহ’-এর পরিবর্তে বলা। যেমনটি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনায় পাওয়া যায়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৩৭)

তিন.  কোনো একজন সাহাবি ‘হাইয়া আলাস-সালাহ’-এর পরে এমন শব্দ যুক্ত করেছিলেন বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়। (ইতহাফুল খায়র, হাদিস : ৯০৫)

মুয়াজ্জিন তিন পদ্ধতির যেকোনো একটি অনুসরণ করতে পারেন। তবে ইসলামী আইনজ্ঞদের মত হলো, এটি আজানের পর সতর্কবার্তা হিসেবে উচ্চারণ করা উত্তম। মুয়াজ্জিন যদি শহর বা জনবসতির মধ্যে হন, তবে তিনি বলবেন ‘সাল্লু ফি বুয়ুতিকুম’ আর যদি তিনি বাইরে অবস্থান করেন, তবে বলবেন ‘আস-সালাতু ফি রিহালিকুম’। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর বর্ণনা অনুসারে মুয়াজ্জিন এই বাক্য দুইবার উচ্চারণ করবেন। মুয়াজ্জিন যখন ঘরে নামাজ আদায়ের কথা বলবেন, তখন শ্রোতারা ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে জবাব দেবে।