kalerkantho

সোমবার । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৭ মে ২০২১। ০৪ শাওয়াল ১৪৪

প্রশ্ন-উত্তর

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অতীতের কাজা নামাজ-রোজার বিধান

প্রশ্ন : আমার জীবনের অনেকগুলো নামাজ-রোজা কাজা হয়ে গেছে, যা আমি না বুঝেই করেছি। এখন সেই নামাজ-রোজাগুলোর কাজা আদায়ের নিয়ম কী হবে? আমি কি হিসাব করে কাফফারা দিলে হয়ে যাবে? এরই মধ্যে আমি হিসাব করে আমার অনেকগুলো রোজার কাফফারা দিয়েছি। আরেকটি বিষয় হলো, আমি একটি রোজার জন্য একটি রোজাই কাজা করব, নাকি একটির জন্য ৬০টি কাজা করতে হবে?

ফাতেমা ইসলাম, বসুন্ধরা, ঢাকা

উত্তর : হিসাব করে সব রোজার কাজা আদায় করতে হবে।  জীবিত ও সক্ষম ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কাফফারার বিধান প্রযোজ্য নয়। রোজা না রেখে থাকলে এক রোজার জন্য একটাই কাজা করবে। আর যদি রোজা রাখার পর বিনা ওজরে ইচ্ছাকৃত ভেঙে ফেলে তাহলে ওই রোজার জন্য কাফফারাস্বরূপ লাগাতার ৬০টি রোজা রাখতে হবে। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/২০৫)

 

তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে মুক্তাদির সুরা ফাতিহা পড়া

প্রশ্ন : ইমামের সঙ্গে নামাজ পড়ার সময় তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে মুক্তাদি সুরা ফাতিহা পড়তে পারবে কি? অনেক হানাফি মুসল্লি পরের দুই রাকাতে যেহেতু ইমাম আস্তে কিরাত পড়েন, তাই তারা নিজেরা সুরা ফাতিহা পড়ে।

আকবর হোসাইন, মিরপুর

উত্তর : ইমামের পেছনে কিরাত পড়া সর্বাবস্থায়ই মাকরুহ। তাই ইমামের সঙ্গে নামাজ পড়ার সময় তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে মুক্তাদি সুরা ফাতিহা পড়তে পারবে না। (রদ্দুল মুহতার : ২/২৬৬)

 

রোজা অবস্থায় বিষরক্ত বের করার বিধান

প্রশ্ন : আমার এক আত্মীয় ধান কাটার সময় অসতর্কতাবশত তার হাত কেটে ফেলে। যেহেতু কাস্তেতে জং থাকে, তাই আমি তার হাত থেকে কিছু বিষরক্ত বের করে ফেলে দিয়েছি। এতে কি তার রোজা হালকা হয়ে যাবে?

কারি মাঈন উদ্দিন, একলাশপুর, নোয়াখালী

উত্তর : রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের করলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে রক্ত বের করার দ্বারা দুর্বল হয়ে রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা হলে রক্ত বের করা মাকরুহ বলে বিবেচিত হবে। (আল বিনায়াহ : ৩/৬৪২, আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৪৩৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৫/৪৪৮)

 

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার উপায়

প্রশ্ন : আমার ইবাদতে মন বসে না। সারাক্ষণ মনে হয় যে মনের মধ্যে শয়তান বিভিন্ন কুমন্ত্রণা দেয়। শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার উপায় কী?

যুবায়ের, ফেনী

উত্তর : সর্বদা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহ তাআলার কাছে পানাহ ও আশ্রয় চাওয়া। নিচের দোয়াটি এ ক্ষেত্রে কার্যকর বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। উচ্চারণ : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়ইং কদির।’ (বুখারি, হাদিস : ৩২৯৩)

 

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা