kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

প্রশ্ন-উত্তর

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এক সালামে কি চার রাকাত তারাবি পড়া যায়?

প্রশ্ন : তারাবির নামাজ দুই রাকাত করেই পড়তে হয়, নাকি চার রাকাত করেও পড়া যায়? যদি চার রাকাত করে পড়া যায়, তাহলে দুই রাকাত পর দরুদ ও দোয়া মাসুরা এবং তৃতীয় রাকাতে সানা পড়তে হবে কি?

হাবিবুর রহমান, ডেমরা

উত্তর : তারাবির নামাজ দুই রাকাত করে পড়া সুন্নত। তবে চার রাকাত করেও পড়া যায়। এ অবস্থায় দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকে তাশাহুদ পড়ে দাঁড়িয়ে যেতে পারে, আবার দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকে তাশাহুদ ও দরুদ শরিফও পড়তে পারবে এবং তৃতীয় রাকাতের শুরুতে আউজুবিল্লাহ ও সানা পড়বে। (আল বাহরুর রায়েক : ২/৬৭, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৪৫)

 

কয়েদি ও প্রবাসীর ওপর কি জাকাত ফরজ?

প্রশ্ন : জেলখানার কয়েদি বা প্রবাসী নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তাদের ওপর কি জাকাত ফরজ হবে?

আরেফিন, দুবাই

উত্তর : কয়েদি ও প্রবাসী যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়, তাহলে তাদের ওপরও জাকাত ফরজ। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/১৭২, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৫/২৩৪)

 

নামাজ মাকরুহ হলে কেমন ক্ষতি হবে?

প্রশ্ন : নামাজে অনেক কাজ করলে বলা হয় নামাজ মাকরুহ হয়ে যায়। মাকরুহ কাকে বলে?

সরওয়ার, বনানী

উত্তর : অকাট্য দলিল দ্বারা নিষেধ প্রমাণিত বস্তুকে মাকরুহ বলা হয়, যা অবলম্বন করা গুনাহ। তবে হারামের মতো নয়। (আত-তারিফাতুল ফিকহিয়্যাহ,  পৃ. ৫০৩, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/৪৫১)

 

গোবর দ্বারা লেপা উঠানে ধান শুকানো

প্রশ্ন : আমাদের এলাকায় ধান সিদ্ধ করার প্রচলন আছে এবং গোবর দ্বারা লেপা উঠান বা আঙিনায় সিদ্ধ করা ধান শুকানোর জন্য রোদে দেওয়া হয়। প্রশ্ন হলো, এভাবে গোবর দ্বারা লেপা উঠানে সিদ্ধ ধান শুকালে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো অসুবিধা আছে কি? কারণ সিদ্ধ ধানে গোবর প্রবেশ করা স্বাভাবিক।

ফরহাদ নুর, লক্ষ্মীপুর

উত্তর : লেপার কাজে গোবর ব্যবহার না করাই শ্রেয়। তবে গোবর অপবিত্র হওয়া সত্ত্বেও গোবর দ্বারা লেপা নাজায়েজ নয়। আর গোবর দ্বারা লেপা উঠানটি শুকানোর পর পবিত্র হয়ে যায় বিধায় গোবর দ্বারা লেপা শুষ্ক উঠানে সিদ্ধ ধান শুকানোর মধ্যে ইসলামের দৃষ্টিতে অসুবিধা নেই। (আল মুহিতুল বুরহানি : ১/১৮৯, আল বাহরুর রায়েক : ১/২১৪, রদ্দুল   মুহতার : ৬/৭৩৩, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/৫২, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/৯৫)

 

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা