kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

প্রশ্ন-উত্তর

৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাউকে জাল ও ছেঁড়া টাকা দেওয়া

প্রশ্ন : এক দোকানদার আমার অজান্তে একটি টেপযুক্ত ছেঁড়া টাকা দিল। ছেঁড়া জানা সত্ত্বেও ওই টাকা আমি অন্য দোকানদারকে দিতে পারব কি না? এবং যদি কেউ আমাকে জাল টাকা দেয় তাহলে আমার করণীয় কী? জানালে উপকৃত হব।

মুহাম্মদ তক্বী, দ্বীন মুহাম্মদ চকরিয়া, কক্সবাজার

উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত ছেঁড়া টাকা যেকোনো দোকানদারকে তার অনুমতিক্রমে দিতে কোনো বাধা নেই। কেউ জাল টাকা দিলে দাতা জানা থাকলে যেকোনো পন্থায় তাকে তা ফিরিয়ে দেবে। অন্যথায় ধোঁকাবাজি করে কাউকে দেওয়া যাবে না।

 

কলিংবেলে আজান ও তিলাওয়াতের সুর ব্যবহার করা

প্রশ্ন : ঘড়ির অ্যালার্ম টোন, কলিংবেল, মোবাইলের রিংটোন ইত্যাদিতে আজান ও কোরআন তিলাওয়াতের সুর ব্যবহার করা যাবে কি?

জুনায়েদ তাহের, ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম

উত্তর : ঘড়ির অ্যালার্ম টোন, কলিংবেল, মোবাইলের রিংটোন ইত্যাদিতে আজান ও কোরআন তিলাওয়াতের সুর ব্যবহার করা এক প্রকারের আজান ও কোরআন অবমাননার শামিল বিধায় তা বৈধ নয়। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৭/২৭৯, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ৫/৩১৬)

 

মসজিদের মেসের জায়গায় ইমামের জন্য কোয়ার্টার বানানো

প্রশ্ন : মূল মসজিদের সঙ্গে মেসের জায়গায় ইমাম সাহেবের জন্য ফ্যামিলি কোয়ার্টার বানানো জায়েজ হবে কি? ইমাম সাহেব সেখানে পরিবারসহ থাকতে পারবেন কি?

রায়হান চৌধুরী, কুমিল্লা

উত্তর : মসজিদসংলগ্ন (মূল মসজিদ থেকে পৃথক) ওই মেসের জায়গায় ইমাম সাহেবের জন্য ফ্যামিলি কোয়ার্টার বানানো জায়েজ হবে। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/৩৭৯)

 

খরগোশ খাওয়ার বিধান

প্রশ্ন : খরগোশ খাওয়ার বিধান কী? কেউ বলে, যেসব খরগোশের পা ছাগলের পায়ের মতো সেটা খাওয়া জায়েজ আর যেগুলোর পা বিড়ালের পায়ের মতো সেগুলো নাজায়েজ।

আরিফুর রহমান, চাঁদপুর

উত্তর : উভয় প্রকার খরগোশ খাওয়া জায়েজ। (মুসলিম : ২/১৫২)

 

মসজিদের মিহরাবের ওপর মেস বানানো

প্রশ্ন : মূল মসজিদ থেকে সামনের অংশে মসজিদের মিহরাবের ওপরের অংশে মসজিদের আয়ের জন্য মেস বানানো জায়েজ আছে?

রায়হান চৌধুরী, কুমিল্লা

উত্তর : শরয়ি মসজিদের মিহরাব এবং তার ওপর আকাশ পর্যন্ত মসজিদ হিসেবে বিবেচিত। তাই তার ওপর মেস বা অন্য কোনো কিছু বানানো জায়েজ হবে না। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া : ১৮/২০৮)

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা।

মন্তব্য