kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

মালদ্বীপকে সৌদি আরবের মসজিদ উপহার

বেলায়েত হুসাইন   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র। রাজধানী মালে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশের নাগরিকসংখ্যা এক লাখের নিচে। গণমজলিস মালদ্বীপের আইন-সভা। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি মুসলমানদের ইবাদতের জন্য এখানে রয়েছে বেশকিছু অনিন্দ্যসুন্দর মসজিদ। তবে মুসল্লি সংকুলান ও আয়তনে বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ইসলামী কেন্দ্রের মসজিদটি সর্ববৃহৎ। নান্দনিকতায়ও এটি অদ্বিতীয়। ২০১৮ সালে ৪১ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গার ওপর এটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ মালদ্বীপকে এটি উপহার হিসেবে দেন। রাজস্ব তহবিল থেকে এর নির্মাণে ব্যয় করা হয় ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মসজিদ কমপ্লেক্সটি ছয় তলাবিশিষ্ট। নীল ঝলমলে গম্বুজাকৃতির ছাদ। চারপাশে সুদৃশ্য চারটি মিনার। রাতের মসজিদটির আলোকসজ্জা চোখধাঁধানো। আদর্শ এ মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে আন্তর্জাতিক গ্রন্থাগার, কোরআন শিক্ষাকেন্দ্র, সুবিশাল সেমিনার কক্ষ, মুসল্লিদের বিশেষ শ্রেণিকক্ষ এবং গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪৪ হাজার বর্গফুটের বিস্তৃত চত্বর। মসজিদের অভ্যন্তর ও আঙিনা মিলিয়ে একত্রে অন্তত ১০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

রাজধানী মালের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত নান্দনিক এ মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে মালদ্বীপের সর্ববৃহৎ মসজিদ ছিল ‘মসজিদ-আস-সুলতান মুহাম্মদ তাকুরুফানু আল আজম’। এটি দেশটির জাতীয় ইসলামী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে একসঙ্গে অন্তত পাঁচ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন এ মসজিদ গোটা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় মসজিদের স্বীকৃতি পায়।

ধারণা করা হয়, ১২০০ খ্রিস্টাব্দে মালদ্বীপে ইসলামের আগমন। ঐতিহাসিক ইবনে বতুতা বলেন, আবুল বারাকাত নামের মরক্কোর এক ইসলাম প্রচারকের মাধ্যমে এখানে ইসলামের আলো পৌঁছে। ২০১৩ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মালদ্বীপ শতভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। দেশটির অত্যন্ত গভীরে যে ইসলামের প্রভাব প্রোথিত এর নিদর্শন প্রকাশিত হয় তাদের ভাষায় আরবি লিপির ব্যবহার ও চাঁদখচিত জাতীয় পতাকা দেখে। 

সূত্র : সৌদির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা