kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

প্রশ্ন-উত্তর

২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিমদাড়ি রাখা কি বাধ্যতামূলক?

প্রশ্ন : অনেকে বলে, নিমদাড়ি রাখা মাকরুহ। আবার কেউ বলে, নিমদাড়ি রাখা ওয়াজিব। যেমন দাড়ি রাখা ওয়াজিব, কর্তন করা হারাম। কোনটা সঠিক?

রানা মাহমুদ, খুলনা।

উত্তর : নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী নিমদাড়ি দাড়ির অন্তর্ভুক্ত। তা কাটা জায়েজ নেই, রাখা বাধ্যতামূলক। (বুখারি, হাদিস : ৩৫৪৬, ফয়জুল বারি : ৬/৯৯, রদ্দুল মুহতার : ৬/৪০৭, ইহইয়াউল উলুম : ১/১৪৪, এমদাদুল ফাতাওয়া : ৪/২৩০, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/২৮)

 

রিংটোন হিসেবে কোরআনের তিলাওয়াত

প্রশ্ন : মোবাইলের রিংটোন হিসেবে কোরআনের আয়াত সেট করা যাবে? কারণ অনেক সময় মানুষ মোবাইল ফোন পকেটে নিয়ে বাথরুমেও যায়।

মাহমুদ কবির, রাজশাহী।

উত্তর : রিংটোন হিসেবে কোরআনের আয়াত ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। (হিন্দিয়া : ৫/৩১৬, আহসানুল ফাতাওয়া : ৮/১৭, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/৩২৪)

 

পোস্টারে কোরআনের আয়াত লেখা

প্রশ্ন : কুপন বা চাঁদা আদায়ের রসিদে এবং কোনো পোস্টারে আল্লাহ বা কোরআনের আয়াত লেখার বিধান কী?

সজিব, ফেনী।

উত্তর : আল্লাহ শব্দ বা কোরআন শরিফের আয়াতের সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেক ঈমানদারের ঈমানী দায়িত্ব। এর অবমাননা কোনো মতেই জায়েজ নয়। তাই এ ধরনের সম্মানসূচক শব্দ এমন জায়গায় লেখা জায়েজ নয়, যার অবমাননার চরম আশঙ্কা রয়েছে। পোস্টার ইত্যাদি যেহেতু যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়া হয়, অসম্মান করা হয়, তাই সেখানে এ ধরনের সম্মানসূচক কিছু লেখা যাবে না। (তাবয়িনুল হাকায়েক : ১/৫৮, মুসলিম, হাদিস : ১৮৬৯, আদ্দুররুল মুখতার : ৪/১৩০, হিন্দিয়া : ৫/৩২৩, মাহমুদিয়া : ৩/৫৩৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১২/৩৪৫)

 

কাতার সোজা করার বিধান কী?

প্রশ্ন : জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে কাতার সোজা করার বিধান কী? তা কি সুন্নতের পর্যায়ে পড়ে, নাকি ওয়াজিব?

মনজুর, বশিকপুর, লক্ষ্মীপুর।

উত্তর : রাসুল (সা.) কাতার সোজা করার প্রতি অনেক গুরুত্বারোপ করেছেন এবং কাতার বাঁকা রাখার প্রতি ভীতি প্রদর্শন করেছেন। তাই জামাতের সময় নামাজের কাতার সোজা করা সুন্নতে মুআক্কাদার অন্তর্ভুক্ত। (বুখারি, হাদিস : ৭২৩, উমদাতুল কারি : ৫/২৫৪, আদ্দুররুল মুখতার : ১/৫৬৮, ইলাউস সুনান : ৪/৩, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/৩৯১)

 

শর্ত লঙ্ঘনের কারণে হেবা ফিরিয়ে নেওয়া

প্রশ্ন : কাউকে শর্তসাপেক্ষে কোনো কিছু হেবা করলে যদি সে সেই শর্ত ভঙ্গ করে, তবে কি হেবাকৃত জিনিস ফেরত নেওয়া যাবে? ইসলামে এর বিধান কী?

কমর উদ্দিন, ডুমনি, ঢাকা।

উত্তর : কোনো ব্যক্তি আরেক ব্যক্তিকে সম্পদ হেবা করলে সম্পদটি বিনা কারণে ফিরিয়ে নেওয়া অন্যায়। তবে কোনো শর্ত সাপেক্ষে প্রদান করে থাকলে শর্ত লঙ্ঘন হওয়ার কারণে সে সম্পদ ফিরিয়ে নেওয়া শরীয়তসম্মত; বরং সে দান অকার্য বলে পরিগণিত হবে। (ফাতাওয়ায়ে কাজি খান : ৩/২৮২, হিন্দিয়া : ৪/৩৮৫, হক্কানিয়া : ৬/৩৮১, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১১/৮৮)

 

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ বসুন্ধরা, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা