kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কবিরা গুনাহ-১১

সুদ খাওয়া

ইমাম শামসুদ্দিন জাহাবি (রহ.)   

২ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদ গ্রহণ হারাম। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবীর সব ঐশ্বরিক ধর্মে সুদ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াত ও অসংখ্য হাদিসে সুদ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘যারা সুদ খায় তারা দাঁড়াবে ওই ব্যক্তির মতো, যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে দেয়।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৫)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ সুদ নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৬)

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও—যদি তোমরা মুমিন হও। অতঃপর যদি তোমরা তা না করো, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নাও।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৮-২৭৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সুদের গুনাহের ৭৩টি স্তর রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে হালকা হলো নিজ মাকে বিয়ে করা। সর্বনিম্ন স্তর হলো কোনো মুসলমানের ইজ্জত সম্ভ্রম হরণ করা।’ (মুসতাদরাকে হাকিম)

মহানবী (সা.) আরো বলেন, ‘সুদ যদিও বৃদ্ধি পায়, কিন্তু এর শেষ পরিণতি হচ্ছে হ্রাস।’ মুসনাদে আহমদ : ১৩৯৫)

হাদিসে আরো এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক ও তার সাক্ষীদ্বয়ের ওপর অভিশাপ করেছেন এবং বলেছেন এরা সবাই সমান অপরাধী।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস :  ৩৯৮৫)

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা