kalerkantho

সোমবার। ৪ মাঘ ১৪২৭। ১৮ জানুয়ারি ২০২১। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ফখর আল ইসলাম

ইউরোপের সর্ববৃহৎ মসজি

হাবিবা রহমান উজরা   

২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউরোপের সর্ববৃহৎ মসজি

‘মসজিদ ফখর আল ইসলাম’ (ইসলামের গর্ব) ইউরোপের সর্ববৃহৎ মসজিদ। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ রাশিয়ায় যার অবস্থান। ২৩ আগস্ট ২০১৯ মসজিদটি উদ্বোধন করা হয়। মুসলিম অধ্যুষিত চেচনিয়া অঞ্চলের রাজধানী গ্রোজনির নিকটবর্তী শালি শহরে অবস্থিত এ মসজিদের আয়তন ৯ হাজার সাত শ বর্গমিটার। যাতে একসঙ্গে ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। ফখর আল ইসলাম মসজিদ নির্মাণে উন্নতমানের মার্বেল পাথর ও বিশুদ্ধ স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। চেচেন কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি ইউরোপের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সুন্দর’ মসজিদ, যা নির্মাণ করতে সময় লেগেছে সাত বছর। বাহারি বিভিন্ন ফুল ও ঝরনায় সাজানো মসজিদের বাইরের অংশে অতিরিক্ত ৭০ হাজার মুসল্লির সংকুলান হবে। অনিন্দ্যসুন্দর এ মসজিদের প্রাঙ্গণে আছে দুই হাজার প্রজাতির গাছ এবং ৪৩ প্রজাতির গোলাপ। নামকরণের কারণ হিসেবে চেচনিয়ার মুসলিম নেতারা বলছেন, তাদের আশা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ইসলামী স্থাপত্য নিয়ে গর্ব করবে। 

চেচনিয়ার মুসলিম নেতা রমজান কাদিরাভের উদ্যোগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০০৭ সালে প্রেসিডেন্ট পুতিন তাঁকে নিয়োগ দেন। শাসনভার লাভ করার পর থেকে কাদিরভ চেচনিয়ায় মসজিদ নির্মাণসহ ইসলামী বিভিন্ন কার্যক্রম পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে রাশিয়ায় মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। রাশিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি তালাত তাজউদ্দিনের সঙ্গে এক সাক্ষাতে পুতিন বলেন, ২০০০ সালে এই প্রজাতন্ত্রে মাত্র ১৬টি মসজিদ থাকলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা এক হাজার ২০০-তে উন্নীত হয়েছে। এতে বোঝা যায়, এ দেশে ইসলামের প্রসার ঘটছে।

এর আগে চেচনিয়ার রাজধানী গ্রোজনিতে ২০১৮ সালে ‘আহমদ কাদিরভ মসজিদ’ উদ্বোধন করা হয়। যাকে ‘চেচনিয়ার হৃিপণ্ড’ বলা হয়। যেখানে ১০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার ১৪ কোটি ৬০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে মুসলমানের সংখ্যা দুই কোটিরও বেশি। দেশটির গ্র্যান্ড মুফতির দেওয়া তথ্যমতে, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে রাশিয়ায় মুসলিম জনসংখ্যার হার ৩০ শতাংশে উন্নীত হবে, যা বর্তমানে মাত্র ৭ শতাংশে রয়েছে।

 

মন্তব্য