kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ফেনীতে আল্লাহর নাম খচিত নান্দনিক ভাস্কর্য

আব্দুল্লাহ ফুআদ   

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেনীতে আল্লাহর নাম খচিত নান্দনিক ভাস্কর্য

গম্বুজ স্থাপত্য রীতির শৈল্পিক অনুষঙ্গ হলেও এর রয়েছে ধর্মীয় ঐতিহ্য। মক্কা-মদিনাসহ বিশ্বের লাখো মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন এই স্থাপত্য নিদর্শন। ধর্মীয় এই নির্মাণশৈলী এবার ভাস্কর্যরূপে স্থাপিত হয়েছে ফেনী জেলার শহীদ মেজর সালাউদ্দিন সড়ক চত্বরে। জেলা শহরের প্রবেশমুখে দৃষ্টিনন্দন সোনালি রঙের গম্বুজ দুটি হাজারো পথচারী ও যাত্রীদের নজর কাড়ছে প্রতিদিন। রাতের চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জায় এক ভিন্নমাত্রার সৌন্দর্যে দর্শকদের পুলকিত করছে  ভাস্কর্যটি। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এর কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশের প্রথম গম্বুজ ভাস্কর্য নিয়ে নানা ইতিবাচক মন্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করছে অনলাইন পাঠকরা। গত ১১ নভেম্বর ফেনী-২ আসনের  সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী ও মেয়র হাজি আলাউদ্দিন ফেনী পৌরসভার অর্থায়নে নির্মিত ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।

এ ছাড়া চলতি বছরের ২২ মে কাউন্সিলর স্বপন মিয়াজীর তত্ত্বাবধানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপালসংলগ্নেও একটি ইসলামিক ভাস্কর্য উদ্বোধন করেছিলেন সংসদ সদস্য, যাতে প্রযুক্তিনির্ভর আলোকসজ্জাময় পাথরে ‘আল্লাহ মুহাম্মদ’-এর পবিত্র নাম খচিত রয়েছে। একই আদলে জেলার রামপুর রাস্তার মোড়েও স্থাপিত হয়েছে পৌরসভার অর্থায়নে ভিন্ন আরেকটি ভাস্কর্য।

অসংখ্য মসজিদ-মাদরাসা আর আলেম-উলামা প্রভাবিত ফেনী জেলায় এমন ভাস্কর্য স্থাপনে ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন সংসদ সদস্য ও মেয়র।

শহরের পার্শ্ববর্তী ধর্মপুর মসজিদের খতিব মাওলানা ইকবাল মাহমুদ জনপ্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ইসলাম সৌন্দর্য পছন্দ করে, সুন্দরের প্রতি উৎসাহিত করে। প্রাণীর অবয়ববিহীন সৃজনশীল যেকোনো ভাস্কর্য নির্মাণে ইসলামে বাধা নেই। ‘ফেনী জেলার মতো দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে নান্দনিক ভাস্কর্য স্থাপিত হোক’—এমনটা আশা করেন ফেনী ফতেপুরের মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসউদ।

জানা যায়, গম্বুজ ভাস্কর্য নির্মাতা বেস্ট কনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে এ নিয়ে তিনটি ইসলামিক ভাস্কর্য নির্মিত হয় ফেনীতে। পৌরসভার অর্থায়নে আরো বেশ কয়েকটি ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা