kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

২২ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অপারগতায় ঘরে নামাজ পড়া

নাফি (রহ.) বলেন, ইবনে ওমর (রা.) একবার তীব্র শীত ও বাতাসের রাতে নামাজের আজান দিলেন। অতঃপর ঘোষণা করেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ আবাসস্থলে নামাজ আদায় করে নাও, অতঃপর তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) প্রচণ্ড শীত ও বৃষ্টির রাত হলে মুয়াজ্জিনকে এ কথা বলার নির্দেশ দিতেন, ‘প্রত্যেকে নিজ নিজ আবাসস্থলে নামাজ আদায় করে নাও।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৬৬)

মাহমুদ ইবনে রাবি আল-আনসারি (রা.) বলেন, ইতবান ইবনে মালিক (রা.) তাঁর নিজ গোত্রের ইমামতি করতেন। তিনি ছিলেন অন্ধ। একবার তিনি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কখনো কখনো ঘোর অন্ধকার ও বর্ষণ প্রবাহিত হয়ে পড়ে। অথচ আমি একজন অন্ধ ব্যক্তি। হে আল্লাহর রাসুল! আপনি আমার ঘরে কোনো এক স্থানে নামাজ আদায় করুন যে স্থানটিকে আমার নামাজের স্থান হিসেবে নির্ধারিত করব। অতঃপর আল্লাহর রাসুল (সা.) তার ঘরে এলেন এবং বলেন, আমার নামাজ আদায়ের জন্য কোন জায়গাটি তুমি ভালো মনে করো? তিনি ইঙ্গিত করে ঘরের জায়গা দেখিয়ে দিলেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) সে স্থানে নামাজ আদায় করলেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৬৭)

 

ক্ষুধার্ত হলে খাবার খেয়ে নামাজ পড়বে

আয়েশা (রা.) বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয়, আর সে সময় নামাজের ইকামত হয়ে যায়, তখন প্রথমে খাবার খেয়ে নাও। (বুখারি, হাদিস : ৬৭১)  আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, বিকেলের খাবার পরিবেশন করা হলে মাগরিবের নামাজের আগে তা খেয়ে নেবে। খাওয়া রেখে নামাজে তাড়াহুড়া করবে না। (বুখারি, হাদিস : ৬৭২)

ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে পড়ে, অপরদিকে নামাজের ইকামত হয়ে যায়। তখন আগে খাবার খেয়ে নেবে। খাওয়া রেখে নামাজে তাড়াহুড়া করবে না। [নাফি (রহ.) বলেন] ইবনে ওমর (রা.)-এর জন্য খাবার পরিবেশন করা হতো, সে সময় নামাজের ইকামত দেওয়া হতো, তিনি খাবার শেষ না করে নামাজে আসতেন না। অথচ তিনি ইমামের কিরাত শুনতে পেতেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৭৩)

ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন খাবার খেতে থাকো, তখন নামাজের ইকামত হয়ে গেলেও খাওয়া শেষ না করে তাড়াহুড়া করবে না। (বুখারি, হাদিস : ৬৭৪)

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা