kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

২১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামাতের জন্য অপেক্ষা করার গুরুত্ব

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার নামাজের স্থানে থাকে তার অজু ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত তার জন্য ফেরেশতারা এই বলে দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ! আপনি তাকে দয়া করুন। আর তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তির নামাজই তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখে, সে নামাজে রত আছে বলে পরিগণিত হয়। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৯)

 

সকাল-সন্ধ্যা মসজিদে যাওয়ার ফজিলত

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন,  ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যায়, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারির ব্যবস্থা করে রাখেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৬২)

 

খাবার গ্রহণের পর দ্বিতীয়বার অজু করতে হয় না

আমর ইবনে উমাইয়াহ (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে (বকরির) সামনের রানের গোশত কেটে খেতে দেখতে পেলাম, এমন সময় তাঁকে নামাজের জন্য ডাকা হলে তিনি ছুরি রেখে দিয়ে উঠে গেলেন এবং নতুন অজু না করেই নামাজ আদায় করলেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৭৫)

 

কাজের ওপর নামাজকে প্রাধান্য দিতে হবে

আসওয়াদ (রা.) বলেন, আমি আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সা.) ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বলেন, ঘরের কাজকর্মে ব্যস্ত থাকতেন, অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। আর নামাজের সময় হলে নামাজের জন্য চলে যেতেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৭৬)

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা