kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইবাদতখানা

বেলায়েত হুসাইন   

২০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইবাদতখানা

সারা বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মুসলমানদের অসংখ্য ইবাদতখানা ও মসজিদ। এসব মসজিদের কোনো না কোনোটিতে সারাক্ষণ আল্লাহর বান্দারা তাঁর ইবাদত-বন্দেগিতে নিমগ্ন থাকে। এর মধ্যে কিছু মসজিদ এমন মনকাড়া ও হৃদয়গ্রাহী করে নির্মাণ করা হয়েছে যে দেখার পর হৃদয়ের গভীর থেকে নিজের অজান্তে মুখে উচ্চারিত হয় ‘সুবহানাল্লাহ’। মুসলমানদের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান পবিত্র মক্কা-মুকাররমার বাইতুল্লাহ শরিফ বা কাবাঘর। কাবাঘরের ঠিক সামনে মাত্র ৫০ মিটার দূরে মক্কা টাওয়ার নামে প্রসিদ্ধ দৃষ্টিনন্দন ভবন তৈরি করেছে বর্তমান সৌদি সরকার। ২০১৩ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া আধুনিক ভবনটি সে সময়ের বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছিল। টাওয়ারের চারপাশের দেয়ালে স্থাপিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘড়ির জন্য এটি বিখ্যাত। চতুর্মুখী এই ঘড়িটি রাতে অন্তত ১৭ কিলোমিটার এবং দিনে ১২ কিলোমিটার দূর থেকে দেখা যায়।

মাটি থেকে মক্কা টাওয়ারের চূড়ার উচ্চতা ৬০৭ মিটার। এই চূড়ায় স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো একটি কৃত্রিম চাঁদ স্থাপন করা হয়েছে, যার ঔজ্জ্বল্য ও আলোকসজ্জা কয়েক মাইল দূর থেকেও দৃষ্টিকে আকর্ষণ করে।

চাঁদটির উপরিভাগের অভ্যন্তরে একটি বিশেষ কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। কক্ষটি ওয়াকফ করা হয়েছে শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্য। মক্কা টাওয়ারের ওপরে আরোহণকারীরা এখানে নামাজ ও অন্য ইবাদত করেন। সমীক্ষা বলছে, এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ইবাদতখানা। এই ইবাদতখানায় উঠতে হাইস্পিড লিফট ব্যবহার করতে হয়। লিফটটি সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। মক্কা টাওয়ার নির্মাণকারী একাধিক প্রকৌশলী বলেন,  ইবাদতখানা নির্মাণের সময় পরিকল্পনাকারীরা এমন একটি স্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যেখান থেকে পবিত্র কাবাঘর হৃদয় ভরে অবলোকন করা যায় এবং মহান আল্লাহর জন্য বান্দার মাথা কৃতজ্ঞতায় অবনত হয়। মক্কা টাওয়ারের ওপরে নির্মিত কক্ষটি তারই বাস্তব রূপ।

তথ্যসূত্র : রোজনামা পাকিস্তান

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা