kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

ফজরের জামাতে অংশগ্রহণের গুরুত্ব

আবু হুরায়রা (রা.) আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছেন যে জামাতের নামাজ তোমাদের কারো একাকী নামাজ থেকে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফজরের নামাজে রাতের ও দিনের ফেরেশতারা একত্রিত হয়। (বুখারি, হাদিস : ৬৪৮)

 

এশার নামাজ জামাতে পড়ার পুরস্কার

আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, (মসজিদ থেকে) যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে নামাজে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে অধিক, যে একাকী নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫১)

 

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। এ দুই নামাজের কী ফজিলত, তা যদি তারা জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (জামাতে) উপস্থিত হতো। (রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন) আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইকামত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামতি করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা নামাজে আসেনি, তাদের ওপর আগুন ধরিয়ে দিই। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৭)

 

সঙ্গী পেলে জামাতেই নামাজ পড়া উচিত

মালিক ইবনে হুওয়াইরিস (রা.) রাসুল (সা.)-এর সূত্রে বলেন, নামাজের সময় হলে (একাধিক লোক একসঙ্গে থাকলে) তোমাদের দুজনের একজন আজান ও ইকামত দেবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বয়সে অধিক বড় সে ইমামতি করবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৮)

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা