kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

ইমামের সুতরা মুক্তাদির জন্য যথেষ্ট

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি একটা মাদি গাধার ওপর সওয়ার হয়ে এলাম, তখন আমি ছিলাম সাবালক হওয়ার নিকটবর্তী। আল্লাহর রাসুল (সা.) সামনে দেয়াল ছাড়া অন্য কিছু সুতরা বানিয়ে মিনায় লোকদের নিয়ে নামাজ আদায় করছিলেন। কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে আমি বাহন থেকে অবতরণ করলাম। গাধাটিকে চরাতে দিয়ে আমি কাতারে শামিল হয়ে গেলাম। আমাকে কেউই এ কাজে বাধা দেয়নি। (বুখারি, হাদিস : ৪৯৩)

ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদের দিন যখন বের হতেন তখন তাঁর সম্মুখে ছোট নেজা (বল্লম) পুঁতে রাখতে নির্দেশ দিতেন। সেদিকে মুখ করে তিনি নামাজ আদায় করতেন। আর লোকজন তাঁর পেছনে দাঁড়াত। সফরেও তিনি তা-ই করতেন। এ থেকে শাসকরাও এ পন্থা অবলম্বন করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৯৪)

 

স্তম্ভ সামনে রেখে নামাজ পড়া

ইয়াজিদ ইবনে আবু উবায়দ (রহ.) বলেন, আমি সালামা ইবনেল আকওয়া (রা.)-এর কাছে আসতাম। তিনি সর্বদা মসজিদ-ই-নববীর সেই স্তম্ভের কাছে নামাজ আদায় করতেন, যা ছিল মাসহাফের নিকটবর্তী। আমি তাঁকে বললাম, হে আবু মুসলিম! আমি আপনাকে সর্বদা এই স্তম্ভ খুঁজে বের করে সামনে রেখে নামাজ আদায় করতে দেখি (এর কারণ কী?) তিনি বলেন, আমি নবী (সা.)-কে এটি খুঁজে বের করে এর কাছে নামাজ আদায় করতে দেখেছি। (বুখারি, হাদিস : ৫০২) আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, আমি নবী (সা.)-এর বিশিষ্ট সাহাবিদের পেয়েছি। তাঁরা মাগরিবের সময় দ্রুত স্তম্ভের কাছে যেতেন। শুবাহ (রা.) আমর (রহ.) সূত্রে আনাস (রা.) থেকে (এ হাদিসে) অতিরিক্ত বলেছেন, ‘রাসুল (সা.) বেরিয়ে আসা পর্যন্ত। (বুখারি, হাদিস : ৫০৩) ইবনে উমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বাইতুল্লায় প্রবেশ করেছিলেন। আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামা ইবনে জায়দ (রা.), উসমান ইবনে তালহা (রা.) এবং বিলাল (রা.)। তিনি অনেকক্ষণ ভেতরে ছিলেন। অতঃপর বের হলেন। আর আমিই প্রথম ব্যক্তি যে তাঁর পরে প্রবেশ করেছে। আমি বিলাল (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সা.) কোথায় নামাজ আদায় করেছেন? তিনি বলেন, সামনের দুই খুঁটির মধ্যখানে। (বুখারি, হাদিস : ৫০৪)

 

মন্তব্য