kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

মসজিদে নামাজ আদায়ের ফজিলত

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করলে ঘর বা বাজারে নামাজ আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ সওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা তোমাদের কেউ যদি ভালো করে অজু করে শুধু নামাজের উদ্দেশ্যেই মসজিদে আসে, সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত যতবার কদম রাখে তার প্রতিটির বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা ক্রমান্বয়ে উন্নীত করবেন এবং তার এক একটি করে গুনাহ মাফ করবেন। আর মসজিদে প্রবেশ করে যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ তাকে নামাজেই গণ্য করা হয়। আর নামাজ শেষে সে যতক্ষণ ওই স্থানে থাকে, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য এই বলে দোয়া করেন, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! তাকে রহম করুন; যতক্ষণ সে কাউকে কষ্ট না দেয়, অজু ভেঙে যাওয়ার কোনো কাজ সেখানে না করে। (বুখারি, হাদিস : ৪৭৬)

 

সুতরার সামনে দিয়ে চলাচল করা

আউন ইবনে আবু জুহাইফা (রহ.) বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে নবী (সা.) সাহাবিদের নিয়ে বাতহা নামক স্থানে জোহরের দুই রাকাত ও আসরের দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। তখন তাঁর সামনে বল্লম পুঁতে রাখা হয়েছিল। তাঁর সম্মুখ দিয়ে (সুতরার বাইরে) নারী ও গাধা চলাচল করত।

(বুখারি, হাদিস : ৪৯৫)

 

সুতরা কতটুকু দূরে রাখতে হয়

সাহল ইবনে সাদ (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর নামাজের স্থান ও দেয়ালের মাঝখানে একটা বকরি চলার মতো ব্যবধান ছিল। (বুখারি, হাদিস : ৪৯৬)

সালামা (রা.) বলেন, মসজিদের দেয়াল ছিল মিম্বারের এত কাছে যে মাঝখান দিয়ে একটা বকরির চলাচল কঠিন ছিল।

(বুখারি, হাদিস : ৪৯৭)

 

মন্তব্য