kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

এসো শিখি ইসলাম-১৩

পরকালে বিশ্বাস বলতে কী বুঝি

আহমদ রাঈদ   

১৪ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মুসলমান হতে হলে অবশ্যই পরকালে বিশ্বাসী হতে হয়। পরকালের সূচনা হয় মৃত্যুর পর। এর চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটবে কিয়ামত বা পুনরুত্থানের দিন।

পরকালে বিশ্বাস ঈমানের মৌলিক স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। এ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

 

১.   পুনরুত্থানে বিশ্বাস : মৃত ব্যক্তিদের কবর থেকে আবার জীবিত করা হবে। সব মানুষ আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবে। তাদের পোশাক ও জুতা এক জায়গায় একত্র করা হবে। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের এরপর মৃত্যুবরণ করতে হবে। অতঃপর নিশ্চয়ই তোমাদের কিয়ামতের দিন আবার উঠানো হবে। (সুরা :  মুমিনুন, আয়াত : ১৫-১৬)

 

২.   হিসাব-নিকাশ ও মিজানে বিশ্বাস : মানুষ দুনিয়ায় যেসব কর্ম করেছে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন সেসব কর্মের হিসাব নেবেন। মিজান বা পাল্লায় আমলগুলো ওজন করা হবে। যার বদ আমলের চেয়ে নেক আমলের পাল্লা ভারী হবে, সে জান্নাতি হবে। যার নেক আমলের চেয়ে বদ আমলের পাল্লা ভারী হবে, সে জাহান্নামি হবে। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যার ডান হাতে আমলনামা দেওয়া হবে, অচিরেই তার হিসাব-নিকাশ সহজ করা হবে। সে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে সন্তুষ্টচিত্তে ফিরে যাবে। কিন্তু যার আমলনামা তার পিঠের পেছনের দিক থেকে দেওয়া হবে, সে অচিরেই মৃত্যুকে ডাকবে এবং সে উত্তপ্ত জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা : ইনশিকাক, আয়াত : ৭-১২)

 

৩.   জান্নাত ও জাহান্নামে বিশ্বাস : জান্নাত হলো চিরস্থায়ী সুখ-শান্তির স্থান। মহান আল্লাহ মুমিনদের জন্য তা তৈরি করে রেখেছেন। আর জাহান্নাম চিরস্থায়ী দুঃখ-কষ্টের স্থান। আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্যদের জন্য আল্লাহ তা তৈরি করে রেখেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও, যার প্রশস্ততা আসমান ও জমিন সমতুল্য। এটি মুত্তাকিদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৩)। অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘অতঃপর যারা হতভাগ্য তারা থাকবে দোজখে এবং সেখানে তাদের জন্য থাকবে চিৎকার ও আর্তনাদ।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ১০৬)

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা