kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

১২ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

এক অজুতে একাধিক নামাজ বৈধ

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) প্রত্যেক সালাতের সময় অজু করতেন। আমি বললাম, আপনারা কী করতেন? তিনি বলেন, হাদাস (অজু ভঙ্গের কারণ) না হওয়া পর্যন্ত আমাদের (পূর্বের) অজু যথেষ্ট হতো। (বুখারি, হাদিস : ২১৪)

সুওয়াইদ ইবনে নোমান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধের বছর আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে বের হলাম। সহবা নামক স্থানে পৌঁছে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি খাবার আনতে বলেন। ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হলো না। আমরা তা খেলাম এবং পান করলাম। অতঃপর নবী (সা.) মাগরিবের জন্য দাঁড়ালেন, অতঃপর কুলি করলেন; অতঃপর আমাদের নিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন অথচ তিনি (নতুন) অজু করলেন না।

(বুখারি, হাদিস : ২১৫)

 

কারো ইস্তিঞ্জায় বিঘ্ন ঘটানো উচিত নয়

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) এক বেদুইনকে মসজিদে পেশাব করতে দেখলেন। তখন তিনি বলেন, ‘তাকে ছেড়ে দাও।’ সে পেশাব শেষ করলে পানি নিয়ে আসতে বলেন, অতঃপর তা সেখানে ঢেলে দিলেন।

(বুখারি, হাদিস : ২১৯)

 

মানুষের সঙ্গে কোমল আচরণ করো

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা জনৈক বেদুইন দাঁড়িয়ে মসজিদে পেশাব করল। তখন লোকেরা তাকে বাধা দিতে গেলে নবী (সা.) তাদের বলেন, ‘তোমরা তাকে ছেড়ে দাও এবং ওর পেশাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কারণ তোমাদেরকে কোমল ও সুন্দর আচরণ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, রূঢ় আচরণ করার জন্য পাঠানো হয়নি।’

(বুখারি, হাদিস : ২২০)

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা