kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

হাদিসের শিক্ষা

৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

উত্তমরূপে অজু করার ফজিলত

হুমরান (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি ওসমান ইবনে আফ্ফান (রা.)-কে দেখেছেন যে, তিনি পানির পাত্র আনিয়ে উভয় হাতের তালুতে তিনবার ঢেলে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর ডান হাত পাত্রের মধ্যে ঢোকালেন। তারপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন। তারপর তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধুয়ে এবং দুই হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। অতঃপর মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দুই পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। পরে বললেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার মতো এ রকম অজু করবে, অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোনো খেয়াল করবে না, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৫৯)

ইবনে শিহাব (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উরওয়াহ হুমরান থেকে বর্ণনা করেন, ওসমান (রা.) অজু করে বলেন, আমি তোমাদের কাছে একটি হাদিস পেশ করব। যদি একটি আয়াতে কারিমা না হতো, তবে আমি তোমাদের কাছে এই হাদিস বলতাম না। আমি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে কোনো ব্যক্তি সুন্দর করে অজু করবে এবং সালাত আদায় করবে, পরবর্তী সালাত আদায় করা পর্যন্ত তার মধ্যবর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (বুখারি, হাদিস : ১৬০)

 

অজু করার সময় নাক পরিষ্কার করতে হবে

আবু ইদরিস (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রা.)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি অজু করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড়সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে। (বুখারি, হাদিস : ১৬১)

 

অজু করার আগে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন অজু করে তখন সে যেন তার নাকে পানি দিয়ে ঝাড়ে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যায় ঢিলা ব্যবহার করে। আর তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে জাগে তখন সে যেন অজুর পানিতে হাত ঢোকানোর আগে তা ধুয়ে নেয়; কারণ তোমাদের কেউ জানে না যে, ঘুমন্ত অবস্থায় তার হাত কোথায় থাকে। (বুখারি, হাদিস : ১৬২)

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা