kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

হাদিসের শিক্ষা

১৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাদিসের শিক্ষা

দান-খয়রাতে নবীজির উৎসাহ

ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি নবী (সা.)-কে সাক্ষী রেখে বলছি, কিংবা পরবর্তী বর্ণনাকারী আতা (রহ.) বলেন, আমি ইবনে আব্বাসকে সাক্ষী রেখে বলছি, নবী (সা.) (ঈদের দিন কাতার থেকে) বের হলেন আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল (রা.)। আল্লাহর রাসুল (সা.) ধারণা করলেন যে দূরে থাকার জন্য তাঁর নসিহত নারীদের কাছে পৌঁছেনি। ফলে তিনি তাঁদের নসিহত করলেন এবং দান-খয়রাত করার উপদেশ দিলেন। তখন নারীরা কানের দুল ও হাতের আংটি দান করতে লাগলেন। আর বিলাল (রা.) সেগুলো তাঁর কাপড়ের প্রান্তে গ্রহণ করতে লাগলেন। (বুখারি, হাদিস : ৯৮)

 

মৃত সন্তান জাহান্নামের প্রতিবন্ধক

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, নারীরা একবার নবী (সা.)-কে বলল, পুরুষরা আপনার কাছে আমাদের চেয়ে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তাই আপনি নিজে আমাদের জন্য একটি দিন নির্ধারিত করে দিন। তিনি তাদের বিশেষ একটি দিনের অঙ্গীকার করেন। সেদিন তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাদের নসিহত করেন ও বিভিন্ন নির্দেশ দেন। তিনি তাদের যা যা বলেছিলেন, তার মধ্যে এ কথাও ছিল যে তোমাদের মধ্যে যে নারী তিনটি সন্তান আগেই পাঠাবে (সন্তান মারা গেলে), তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। তখন এক নারী বলল, আর দুটি পাঠালে? তিনি বলেন, দুটি পাঠালেও। (বুখারি, হাদিস : ১০১)

 

ধর্মীয় জ্ঞান অন্যকে পৌঁছে দিতে হবে

আবু বাকরাহ (রা.) নবী (সা.)-এর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তোমাদের জীবন, তোমাদের সম্পদ এ শহর ও এ দিনের মতোই (আরাফার দিন) মর্যাদাসম্পন্ন। শোনো, (আমার এ বাণী যেন) তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৫)

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা